Tarapith Fire Incident: তারাপীঠে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে আরও আবাসিকের মৃত্যু, শোকপ্রকাশ মুখ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর, ” খুবই মর্মাহত..”
বীরভূম: তারাপীঠের অগ্নিকাণ্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৮। তারাপীঠের অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যুর ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং প্রধানমন্ত্রী মোদি। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, বীরভূম জেলার অন্তর্গত তারাপীঠের হোটেলের অগ্নিকাণ্ডে যে সকল পুণ্যার্থী প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের সকলের জন্য গভীরভাবে শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় শোকপ্রকাশ করে দেশের প্রধানমন্ত্রী এক্স পোস্টে জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের বীরভূমে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় তিনি খুবই মর্মাহত। যাঁরা তাঁদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং আহতদের দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার প্রার্থনা জানিয়েছেন মোদি।
আরও পড়ুন, বিদেশ যাত্রার আগে অভিষেকের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ, ফের হাইকোর্টের দ্বারস্থ সাংসদ
মৃত্য়ু যেন তাঁদের দোরগোড়ার কড়া নেড়েও ফিরে গেছে।কপাল জোরে বেঁচে গেছেন ঠিকই, কিন্তু আতঙ্ক যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না। তারাপীঠের হোটেলের এক আবাসিক বলেন, কোনও আওয়াজ শুনতে পাইনি। অনেক আতঙ্ক। ভিতরটা কাঁপছে।’কারও কাছে আবার সবটাই বিভিষীকা।তারাপীঠের ওই হোটেলের আবাসিক বলেছেন, মায়ের জানি না কী হয়েছে। আমি আমার কাউকে খুঁজে পাচ্ছি না। ২টো ছোট ছোট বাচ্চা আছে আমার ভাইয়ের। ‘আর যাঁরা শেষ চেষ্টা করেও সফল হননি,তাঁদের পরিণতি হয়েছে ভয়ঙ্কর। বের হতে গিয়ে সিঁড়ির মধ্য়েই ঝলসে গেছেন একাধিক। তারাপীঠের হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড।যা কেড়ে নিয়েছে সাতজনেরও বেশি প্রাণ।আহত হয়েছেন একাধিক। দমকলকর্মী বলেন, দমকলকে ফোন করা হয় ৫.২০-তে। ৫.২৩-এ আমরা এখানে পৌঁছই। এত ধোঁয়া ছিল, আমরা প্রথমে ঢুকতে পারিনি। পরে আমরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পর ভিতরে ঢুকি।
হোটেল থেকে অদূরেই রয়েছে তারপীঠ মন্দির, তাই শ্রাবণ মাস উপলক্ষ্য়ে এই হোটেলেই উঠেছিলেন বহু পুণ্য়ার্থী।কিন্তু কে জানত এখানেই এমন ভয়াবহ অভিজ্ঞতা হবে তাঁদের? হোটেলের আবাসিকদের দাবি, সোমবার ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ প্রায় সবাই যখন ঘুমে আচ্ছন্ন, তখন প্রথম আগুন লাগে হোটেলের রিসেপশনে। কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই আগুনের লেলিহান শিখা পৌঁছে যায় পাঁচতলা পর্যন্ত।
ধোঁয়া গ্রাস করে গোটা হোটেলটাকে। পুড়ে ছাই হয়ে গেছে সিলিং থেকে টেবিল।বীরভূমের পুলিশ সুপার জানিয়েছেন ঘটনায় আটক করা হয়েছে হোটেলের মালিককে।বীরভূমের পুলিশ সুপার ভিদিত রাজ ভুন্দেশ বলেন, সকাল বেলা প্রায় ৫টার কাছাকাছি খবর আসে পুলিশের কাছে, এখানে আগুন লেগে গেছে। এখানে মোট ২২জনকে জীবিত উদ্ধার করেছে দমকল ও পুলিশের টিম। লজের যে অপারেটর, মালিক ওঁকে আটক করেছি। আমরা কঠোর আইনি পদক্ষেপ করব।’
