Voice of Eastern India

Rajarhat Blast: সাদা রঙের ব্যাগ হাতে সিঁড়ি দিয়ে উঠছে কিশোর, একটি ঘুরে ঢুকছে সে, বেরিয়ে আসতেই…


রাজারহাট : রাজারহাটে বিস্ফোরণ, কেঁপে উঠল বাড়ি। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে বোমা। বিস্ফোরণকাণ্ডে গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্ত ভাড়াটিয়াকে। এছাড়া বাড়ি মালিক-সহ ৩ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। কিন্তু কী কারণে বিস্ফোরণ? তা নিয়ে এখনও রয়েছে ধোঁয়াশা। আচমকা আলোর ঝলকানি। কেঁপে উঠল গোটা বাড়ি, ধোঁয়ায় ঢাকল চারদিক। রাজারহাটের দক্ষিণ নারায়ণপুরে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ। আহত হল ২ জন। ভাড়াবাড়ির এক বাসিন্দার কথায়, ‘এমন বিস্ফোরণ হল আমার পাখা ভেঙে পড়ে গেল। পুরো ধোঁয়া ধোঁয়া হয়ে গেল। আমি বেরিয়ে দেখি, আমার মাথা থেকে রক্ত পড়ছে।’ 

শুক্রবার রাত, ঘড়ির কাঁটায় তখন ৮টা। রাজারহাটের দক্ষিণ নারায়ণপুরে, জুলফিকর আনসারি নামে এই ব্য়ক্তির বাড়িতে বিস্ফোরণ ঘটে। বাড়ির মালিকের দাবি, যে ঘরে বিস্ফোরণ হয়েছে, সেটা ২ দিন আগেই মহম্মদ সামিম ওরফে সেলিম নামে এক ব্য়ক্তি ভাড়া নেয়। নিজেকে কামারহাটির বাসিন্দা পরিচয় দেন তিনি। বাড়ির মালিক জুলফিকার আনসারি বলেছেন, ‘আমার কাছে এরা দালালের মাধ্য়মে এসেছিল। আমরা বুঝতে পারিনি, ও যাকে এনেছে, সে এভাবে কিছু করবে। ১৫ তারিখে সকালে এসেছিল। চাবি দেওয়া হয়েছিল সাফাইয়ের জন্য়। কথা হয়েছিল, যখন কাগজ রেডি হয়ে যাবে, তখন থাকতে দেব।’ 

‘যদি হারের দায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হয়, ‘২৪ সালে জয়ও হয়েছে…’, কী বললেন অভিষেক ?

CCTV ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, বিস্ফোরণের আগে হাতে একটি সাদা রঙের ব্য়াগ নিয়ে সিঁড়ি দিয়ে উঠছে এক কিশোর। একটি ঘরে ঢুকছে সে। তারপর ঘর থেকে বেরোতেই, বিস্ফোরণ। নাবালকের দাবি, ২ দিন আগে নতুন ভাড়াটিয়া সেলিমই তাঁকে ব্য়াগটা রেখে আসতে বলেছিল। বিস্ফোরণের অভিঘাত এতটাই, যে ছিটকে গেছে দরজার লক। উড়ে অন্য়ত্র গিয়ে পড়েছে আস্ত মিটার বক্স। ভেঙে পড়েছে পাশের ঘরের কংক্রিটের চাঙড়। শনিবার দুপুরে বিস্ফোরণস্থলে পৌঁছয় NIA. পাশাপাশি, ঘটনাস্থলে আসে বেঙ্গল STF. CID-র বম্ব ডিসপোজাল স্কোয়াড। পৌঁছে যান বিধাননগর পুলিশের ডিটেকটিভ ডিপার্টমেন্টের আধিকারিকরা। এদিন, উদ্ধার হওয়া বোমাগুলো নিষ্ক্রিয় করে বম্ব স্কোয়াড। 



বিস্ফোরণকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত, ভাড়াটিয়া, মহম্মদ শামিম ওরফে সেলিমকে শনিবার কামারহাটি থেকে গ্রেফতার করে নারায়ণপুর থানার পুলিশ। এর পাশাপাশি, জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে, বাড়ির মালিক জুলফিকার আনসারি, ওই কিশোর এবং স্থানীয় দালাল মহম্মদ শাহেনশাহকে। বাড়ি মালিকের দাবি, স্থানীয় দালাল মহম্মদ শাহেনশাহ, অভিযুক্ত ভাড়াটিয়াকে বাড়িতে নিয়ে আসেন। বাড়ির মালিক জুলফিকার আনসারির বক্তব্য, ‘যে দালাল ছিল, ও বিজেপির সঙ্গে যুক্ত। পার্টি অফিসে ওঠাবসা করে। আর যে লোকের কথা বলেছিল, ওই লোকও পার্টি অফিসে থাকে।’ রাজারহাট-নিউটাউনের বিধায়ক পীযূষ কানোরিয়া বলেছেন, ‘রাজনীতির বাইরে জিনিসটাকে দেখতে হবে। সন্ত্রাস যারাই করার চেষ্টা করেছে, কাউকে ছাড়া যাবে না।’ 



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.