কলকাতা: বুধবার কাজের দিনে আলিপুরের একটি সরকারি অফিসে আগুন লাগে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পরিষদ ভবনে একাধিক তলে আগুন লাগে। তারপর সেই আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে দমকল। যদিও, দুপুর সাড়ে ১২ টা নাগাদ নতুন করে আবার আগুন লাগে। অষ্টম তলে সর্ব শিক্ষা অভিযানের অফিসে আগুন লাগে। তার পাশে মিড ডে মিলের অফিসেও আগেন লেগে যায়।
আরও পড়ুন: আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় এই ভুল একদম নয়, না হলেই আসতে পারে Income Tax Department -এর নোটিস
উল্লেখ্য, প্রথম তৃতীয় তলে আগুন লেগেছিল। সেখানে নীচে থেকে জল দেওয়া সম্ভব হচ্ছিল। কিন্তু অষ্টম তলায় আগুন নেভানো সম্ভব হচ্ছিল না। তারপর অন্য পদ্ধতি অবলম্বন করে সেই আগুন নেভানোর চেষ্টা করা হয়। ইতিমধ্যেই আগুন লাগে সর্ব শিক্ষা অভিযানের অফিসে। ওই দফতরের এক কর্মী প্রায় কেঁদেই ফেললেন। বললেন, “আমাদের দফতরটা সম্পূর্ণ পুড়েই গেল। এত নথি। এমন ভাবে ক্ষতি হয়ে গেল। এই আগুন লাগা মেনে নিতে পারছি না।”
তবে কি আগুনে সব নথি পুড়ে গেল? সর্ব শিক্ষা অভিযানের দফতরের ওই কর্মী বলছেন, নথি সেভাবে নষ্ট হওয়ার কথা নয়। কারণ, তাঁদের সব নথিই ই-ফাইলিং হয়। এর সেই নথি জমা থাকে সার্ভারে। ফলে, নথি সেই ভাবে নষ্ট হয়নি বলেই জানালেন ওই কর্মী। যদিও কম্পিউটার সহ একাধিক জিনিস পুড়ে গিয়েছে বলেই খবর।
প্রসঙ্গত, এখানেই রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কর্মাধ্যক্ষ জাহাঙ্গির খানের অফিস। আর সেখানেই একটা অভিযোগ করছে বিজেপি, যে তথ্য প্রমাণ লোপাটের জন্যই এই আগুন লাগানো হচ্ছে। বিজেপি নেতা রাকেশ সিং বলছেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই জাহাঙ্গিরের অফিসে আগুন লাগানো হয়েছে। এমনকি তিনি সংবাদমাধ্যমের সামনে অভিযোগ করেন এর পিছনে রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও।
দমকল জানিয়েছে, কর্মাধ্যক্ষদের অফিস যেখানে, সেখান থেকেই আগুন লেগেছে। আর তার উল্টো দিকে রয়েছে INC-এর অফিসও। সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে সেই সব অফিস। কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলছেন, “সম্ভাবনা আছে, আগুন লাগিয়ে সব ফাইল পুড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা। আর এর তদন্ত হওয়া উচিত।”
Swarup Biswas : প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই স্বরূপ বিশ্বাসের বাসভবনে পুলিশ
