Janatar Darbar: ‘জনতার দরবার’-এ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী! হাজির সঙ্গীতশিল্পী ঋদ্ধি বন্দ্যোপাধ্যায়, কী অভিযোগ করেছেন তিনি?
কলকাতা: আজ ‘জনতার দরবার’-এর তৃতীয় দিন। আজও সল্টলেকের বিজেপি দফতরে, সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ শুনবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পৌনে ১০টা নাগাদ বিজেপি দফতরে আসবেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রীকে নিজেদের কথা বলতে সকাল থেকেই ভিড় জমিয়েছেন বহু মানুষ।
সঙ্গীতশিল্পী ঋদ্ধি বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন ‘জনতার দরবার’-এ হাজির হন। তিনি বলেন, ‘ইন্দ্রনীল সেন এতদিন যে কাজ করে এসেছেন সেই কাটমানি টাকা থেকে নেক্সাস তৈরি করা। এটি যাতে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পৌঁছনো যায় তাই আসা। যারা যোগ্য তাদের ব্যান না করে কাজ দেওয়া উচিত।’
এর আগে তৃণমূল সরকার ও প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রলীন সেনের বিরুদ্ধে লবিবজি ও কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ করেছিলেন সঙ্গীতশিল্পী ঋদ্ধি বন্দ্যোপাধ্য়ায়। এ বিষয়ে ইন্দ্রনীল সেনকে ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি। উত্তর দেননি হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজের।
আরও পড়ুন, ক্ষমতা হারানো তৃণমূল কি এবার খানখান হওয়ার পথে? কেন এই প্রশ্ন উঠছে?
সেই দিন উনি অভিযোগ করেছিলেন, ‘৬.৩০ তাঁরা ৪-৫টা করে ৬-৭টা করেও এক একজন অনুষ্ঠান পেতেন। এবং প্রত্যেকে হাই পেমেন্ট পেতেন। সেটা ব্যাঙ্কে পড়ত। সেখান থেকে টাকাটা রিটার্ন হয়ে আবার চলে আসছে অন্য জায়গায়, তোলার মতো করে বা কাটমানির মতো করে। কে নিতে পারে, আমি তো বার বার একটা নামই বলছি। ইনি এবং তাঁর সাঙ্গপাঙ্গরা। আপনি আমার ব্যাঙ্কে রাখলেন ১০ হাজার টাকা, বলছে, তুমি কিন্তু আমাকে ২ হাজার টাকা ব্যাক করে দিও’।
সঙ্গীতশিল্পী অভিযোগ করেছিলেন, ‘আমি মোটামুটি শেষ ১২-১৩ বছর ধরে ব্যান ছিলাম। ইন্দ্রনীল সেনের আন্ডারে যে চক্রটা চলত। বিভিন্ন রকম মঞ্চে দেখতেন যে, পাঁচালি গাইছেন, কীর্তন গাইছেন। তাঁদের অনেকেই আছেন, যাঁরা সরকারি চাকরি পেয়েছেন। সমস্তই আমাদের গায়ক মন্ত্রী নিয়ন্ত্রণ করতেন। তাঁর একটা লবি, তাঁর সিন্ডিকেট। তাঁর একটা লবি, তাঁর সিন্ডিকেট। তাঁর একটা নেক্সাস চলত। যারা তাকে সকাল থেকে হুজুর হুজুর বলে ফোন ঘোরাত, টাকা দিত, গিফট দিত, সময় দিত, সঙ্গ দিত… । কিছু কিছু শিল্পী আছেন, তাঁরা কাজ পেয়েছেন সরকারের সঙ্গে সেটিং করে’।
প্রাক্তন মন্ত্রীর পাশাপাশি, সরকারি আধিকারিকদের বিরুদ্ধেও দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগ করেছিলেন ঋদ্ধি বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গীতশিল্পী বলেন, ‘সরকারি আধিকারিকরা ইনভলভড। আমি আমার রাজ্যে সরকারি কাজ পাই না। আমার নাম দেখলে, আমি সরকারি হলও পাই না। আমাকে দেওয়া হবে না, এটা মনোপলি? কারও বাবর সম্পত্তি? রবীন্দ্রসদন কি ইন্দ্রনীল সেনের বাবা এসে তৈরি করে গেছিলেন? পরের দিকে সমস্ত কিছু নবান্ন থেকে বলে দেওয়া হত, কে (হল) পাবে, কে পাবে না। আমাদের এই ফ্রেটারনিটিগুলো পচে গেছে! চারিদিকে কীটপতঙ্গের মতো লোকজন ঘুরপাক খাচ্ছে। নিজেরটা হয়ে গেল নিজের ধান্দাটা হয়ে গেল, চুপ।’
