Voice of Eastern India

Tarapith Hotel Fire: বাজেনি ফায়ার অ্য়ালার্ম, বন্ধ ছিল গেট, তারাপীঠে হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় উঠছে গাফিলতির অভিযোগ


তারাপীঠ: তারাপীঠের হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পদে পদে উঠছে গাফিলতির অভিযোগ। আবাসিকদের একাংশের অভিযোগ, আগুন লাগার সময়ে ফায়ার অ্য়ালার্ম বাজেনি। হোটেলের পিছনের দিকে ফায়ার এক্সিট থাকলেও, সেখানকার গেটে ছিল তালা।

গালভরা নাম আছে। আপৎকালীন পরিস্থিতির জন্য় ব্য়বস্থাও আছে। কিন্তু প্রশ্ন হল, তারপরও কেন বাঁচানো গেল না এতগুলো মানুষকে? তারাপীঠে হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পদে পদে উঠছে গাফিলতির অভিযোগ। হোটেলের এক আবাসিক বলছেন, ‘কোনও ফায়ার এলার্ম বাজেনি। কিছু বাজেনি। ধোঁয়া উড়ছিল। আমরা তো ঘুমোচ্ছিলাম। এদিকে বন্ধ ছিল গেট। দমকল, পুলিশকর্মীরাই এসে ভেঙেছে।’

তারাপীঠের হোটেল বিদেশিনীতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মৃত্য়ু হয়েছে একাধিকের। আর তারপরই সামনে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্য়কর তথ্য়। আবাসিকদের দাবি, ভোরবেলা যখন আগুন লাগে তখন কোনও ফায়ার অ্য়ালার্ম বাজেনি। হোটেলের পিছনের দিকে ফায়ার এক্সিট থাকলেও, সেখানকার গেটে ছিল তালা। ফলে অনেক চেষ্টা করেও নিজে থেকে বেরোতে পারেননি আবাসিকরা। দমকল আসার পর তালা ভেঙে উদ্ধার করতে হয়েছে তাঁদের। ততক্ষণে কারও ঝলসে মৃত্য়ু হয়েছে, কেউ আবার দমবন্ধ হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

এখানেই শেষ নয়, আবাসিকদের দাবি, ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে যাওয়ার সময় যখন তাঁরা ছাদে উঠতে যান, দেখা যায় সেই দরজাও বন্ধ রয়েছে। এমনকী অগ্নি নির্বাপণ ব্য়বস্থা থাকলেও, তা ব্য়বহার হয়নি যথাযথভাবে। অগ্নিনির্বাপণ ব্য়বস্থা থাকলেও সেটা ব্য়বহার করা হয়নি। পিছনের দরজা বন্ধ ছিল। সেটা খোলা থাকলে অনেকে বাঁচতে পারত। স্টিফেন কোর্টের যেরম ঘটনা দেখা গেছিল এখানেও তাই। হোটেলের আরও এক আবাসিক বলছেন, ‘ঘরের মধ্য়ে AC। জানলা নেই। বাথরুমে ঢুকে সবাই আটকে জল চালিয়ে দিয়েছি। উপরের যে বাথরুমের যে কাটা অংশটা, ওখান থেকে সাহায্য়ের জন্য় চিৎকার করেছি। তারাপীঠ থানা থেকে এসে আমাদের উদ্ধার করেছে ৪৫ মিনিট পরে। আমার বাচ্চারা তখন সংজ্ঞাহীন অবস্থায়।’

ফায়ার এক্সিটের গেট খোলা থাকলে, আরও প্রাণ বাঁচত, সেই কথা বলেছেন খোদ জেলার পুলিশ সুপারও ভিদিত রাজ ভুন্দেশ। তিনি বলছেন, ‘এটা একটা বাইরের কোলাপসিবল গেট আছে, যেখান থেকে মেন এন্ট্রান্স। পিছনের দিকে দরজা করা আছে। ওটা বন্ধ ছিল। খোলা থাকলে হয়তো আরও কিছু লোক বেরোতে পারত। ধোঁয়াগুলো বেরোতে পারত। ছাদের উপরে যে দরজা ছিল, সেটা গ্রিল গেট ছিল না, সেটা কাঠ বা প্লাইবোর্ড দিয়ে বন্ধ ছিল। তার জন্য় ধোঁয়া বেরোতে পারিনি।’

ইতিমধ্যেই মৃতদের পরিবারপিছু ২লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য় ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.