ABP Ananda LIVE : ‘BJP-র কিছু লোক ওকে কটূক্তি করেছিল। তিনি জীবনে কখনও কোনও দুর্নীতি করেননি। এটা সহ্য হয়নি। ওঁর চলে যাওয়া ভদ্রলোকেদের রাজনীতিতে থাকা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গেছে। বিজেপি ভাল লোকেদের টার্গেট করে অপমান করেছে, মারধর করছে’। আক্রমণ সৌগত রায়ের।
তৃণমূলের প্রবীণ নেতা। ২০০১ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত রামপুরহাটের বিধায়ক। নিজের রাজনৈতিক কর্মকালে মমতার মন্ত্রিসভায় একাধিকবার ঠাঁই পেয়েছেন তিনি। স্কুলশিক্ষামন্ত্রী এবং কৃষিমন্ত্রীও ছিলেন তিনি। তবে এর চেয়ে বড় কোনও দায়িত্ব পাননি তিনি। অনুব্রত মণ্ডল বীরভূমের সভাপতি থাকাকালীন আশিস ছিলেন তাঁর সঙ্গী। তবে রাজ্যে পালাবদলের পর কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের থেকে বেশ দূরত্ব তৈরি করেন তিনি। জুন মাসে জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যানের পদ ছেড়ে দেন। ছাড়েন বীরভূমের কোর কমিটির সদস্যপদও। জুলাই মাসে বৈঠক করেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। আর তার ঠিক পরেই ঋতব্রত শিবিরের সঙ্গে বৈঠক অনুব্রতর এবং কালীঘাটের থেকে সরে দাঁড়ানো। তবে আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় থেকেছেন একান্তে। শুধু তৃণমূল নয়, রাজনীতিতেও বিশেষ সক্রিয় হতে দেখা যায়নি তাঁকে। এই ঘটনায় মানসিকভাবে একেবারেই ভেঙে পড়েছে প্রাক্তন বিধায়কের পরিবার। চোখে জল নিয়ে তাঁর ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “রাজনীতির জন্যই আমরা আজ জেঠুকে হারালাম। জোর হাত করে বলছি, এই রাজনীতিতে আমরা আর নেই।”
