Kolkata News: সাজানো গোছানো কলকাতার সরকারি হাসপাতাল, অথচ নেই রোগী, কী চলত সেখানে ? স্বাস্থ্যমন্ত্রী পরিদর্শনে যেতেই যা বেরিয়ে এল..
কলকাতা: সাজানো গোছানো সরকারি হাসপাতাল, অথচ নেই রোগী। অনিয়মের পাহাড়ে পোস্তার মেয়ো হাসপাতাল! রোগী না থাকলেও এদিকে ওয়ার্ডে প্যাকেট বন্দি রাশি রাশি গদির সন্ধান মিলেছে। করোনার সময় পাঠানো এসি থেকে আলোর সরঞ্জাম ৩-৪ বছর ধরে প্যাকেট বন্দি হয়েই পড়ে রয়েছে। পোস্তা ব্রিজ দুর্ঘটনার পরে ব্যবহৃত ক্রেনও পাওয়া গিয়েছে ওই ক্যাম্পাসে।
অনিয়মের পাহাড়ে পোস্তার মেয়ো হাসপাতাল! পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়
সাজানো ওয়ার্ডে ‘বেআইনিভাবে’ থাকছেন চিকিৎসক-পড়ুয়ারা। ঠিক এমনই এক আবহে মেয়ো হাসপাতাল পরিদর্শনে গেলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী, সঙ্গে ছিলেন তথ্য সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী। কিন্তু কেন এভাবে পড়ে আছে সরকারি হাসপাতাল? যদিও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর প্রশ্নের মুখে কোনও সদুত্তর দিতে পারেননি অধ্যক্ষ। এদিকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কলকাতা মেডিক্যালের অধ্যক্ষের জবাব তলব করা হয়েছে।
রাজ্যের পালাবদলের পরেই, হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পরিদর্শনে নেমেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী
রাজ্যের পালাবদলের পরেই, হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পরিদর্শনে নেমেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় । সম্প্রতি তিনি আর জি কর হাসপাতালেও পরিদর্শনে যান।এদিকে সেখানের এমার্জেন্সি বিল্ডিংয়ে আবর্জনা দেখতে পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় । তবে আবর্জনা ছাড়াও ডায়াগনসিস সেন্টারে ডাক্তার না থাকা, হাসপাতালের কর্মীদের আইকার্ড না থাকা নিয়েও বিরক্ত হয়েছেন তিনি। ইউরোলজি ওয়ার্ড, শিশুশল্য বিভাগ, চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিয়েও বেশ ক্ষুব্ধ হয়েছেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়।
কী বললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ?
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘পেডিয়াট্রিক্স ওয়ার্ড পরিচ্ছন্ন, তবে বেড কম, যেটা দেখে আমি খুশি নই। বলা হয়েছে, ওদের কাছে রেফার খুব কমে গিয়েছে। এটা ভাল জিনিস.. আমরা দেখছি, মুখের কথায় চলব না। পেডিয়াট্রিক্সের অকুপেন্সি ৪০ শতাংশ মতো রয়েছে। যেটা একটু অবাক লেগেছে।প্রিমিয়ার টিচিং হাসপাতাল এটা। ওরা বলেছে বিগত এক থেকে দেড় মাসে রেফার কমে গিয়েছে। আমি শিক্ষার জন্য, যেগুলি স্পেশাল হয় বাচ্চাদের পড়ানো, পেডিয়াট্রিক কার্ডিওলজি, নেফ্রোলজি, পেডিয়াট্রিক রিউমাটোলজি যেগুলি খুব ইন্টারেস্টিং সাবজেক্ট , ডাক্তারি চিকিৎসায় ও পড়ুয়াদের জন্য, তাঁদের আমি বলেছি ভর্তি দরকার না হলে, শিক্ষার জন্য তাঁদের ভর্তি করা। বেড অকুপেন্সি কমপক্ষে ৬০ শতাংশের বেশি রাখা উচিত। অবশ্য আমরা টেনে এনে ভর্তি করতে পারবো না, দেখা হচ্ছে বিষয়টি।’
