Suvendu Adhikari: ‘২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা ছাড়’ ! কৃষকদের জন্য বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, কোন ক্ষেত্রে পাবেন এই সুবিধা ?
কলকাতা: শুক্রবার পূর্ব বর্ধমানের প্রশাসনিক জনসভা থেকে রাজ্যের কৃষকদের জন্য বড় ঘোষণা করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এ দিন বিদ্যুৎ ও পূর্ত দফতরের একাধিক প্রকল্পের শিলান্যাস ও শুভ সূচনা করে প্রায় ৪ লক্ষ কৃষককে বিদ্যুতের খরচে স্বস্তি দিতে ইউনিট পিছু ২ টাকা করে ভর্তুকি দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন তিনি।
পূর্ব বর্ধমানকে ‘গর্বের শস্য ভাণ্ডার’ হিসেবে বর্ণনা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তারপরই পশ্চিমবঙ্গের কৃষকদের জন্য একের পর এক ঘোষণা করেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ”ডবল ইঞ্জিন সরকারকে বরণ করে নিয়েছেন পূর্ব বর্ধমানের মানুষ। চার লক্ষের বেশি কৃষক ইউনিট প্রতি ২ টাকা করে ভর্তুকি পাবেন। বছরে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা বিদ্যুৎ বিলে ছাড়। এজন্য সরকারের বাড়তি খরচ পড়বে ৩০০ কোটি টাকা। ৩ টি সাব-স্টেশনের উদ্বোধন হয়েছে। মেমারিতে ১১.৮৫ কিলোমিটার রাস্তা জোড়া হচ্ছে। পিএম-কিষাণ সম্মান নিধিতে ৯ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। কৃষকরা যত ধান বিক্রি করতে চান, সরকার তা কিনে নেবে।” অর্থাৎ ধানের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য বাড়িয়ে ২৭০০ টাকা করার কথা ঘোষণা করেন তিনি। আর্থিক সাহায্যের প্রসঙ্গ টেনে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আগের সরকার যেখানে কৃষকদের বছরে ৬,০০০ টাকা দিত, সেখানে বর্তমান সরকার তা বাড়িয়ে ৯,০০০ টাকা করে দেবে।
ধান চাষীদের পাশাপাশি, আলুচাষি ও পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্যও বড় ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ”বিগত সরকার আলু চাষী ও আলু ব্যবসায়ীদের উপর অত্যাচার করেছিল। ডিসেম্বর থেকে আলু লাগানোর জন্য জমি তৈরি করবেন, তার আগে আলু চাষীদের জন্য বিশেষ প্যাকেজ ঘোষণা করব। এরাজ্য থেকে পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে গিয়েছে মানুষ। আর যেতে হবে না, ১২৫ দিনের কাজ দেওয়া হচ্ছে, ৩১৭ রকমের কাজ করতে পারবেন।”
আর কী কী ঘোষণা করেন ?
আগের সরকারকে বিঁধে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ”বিগত সরকারের জমানায় জল-জীবন মিশনের টাকা লুঠ হয়েছে। ওই প্রকল্পেও এবার মানুষ কাজ করতে পারবেন। প্রত্যেক জব কার্ড হোল্ডার যেন ১২৫ দিনের কাজ পান তা নিশ্চিত করতে হবে। কাজের বিনিময়ে ৩৪ হাজার ৫০০ টাকা পাবেন তাঁরা। জমির পাট্টা যাঁরা পাননি, তাঁদের অবিলম্বে পাট্টা দিতে হবে। কারণ, আবাস যোজনায় তাঁদের বাড়ি দিতে চাই।” তিনি আরও বলেন, ”আগের সরকার বাড়ির প্রকল্পে প্রথম কিস্তির টাকা দিয়ে গেছিল। তখন আবাস যোজনা নিয়ে দুর্নীতি হয়েছে। অনেক টাকা লুঠ হয়েছে। তাই, বাড়ি তৈরি করা হয়েছে কি না তার ভেরিফিকেশন হয়েছে। তারপর দ্বিতীয় কিস্তির ৬০ হাজার টাকা দিয়ে দিয়েছি। যারা দুর্নীতি করেছেন, তাদের ধরব, টাকাও ফেরত নেব”।
Madhyamgram News | বিজেপির একাংশের বিরুদ্ধে ফের তোলাবাজির অভিযোগ | ABP Ananda LIVE
