Suvendu Adhikari on Lakshmir Bhandar: “যতক্ষণ না অন্নপূর্ণা যোজনার ৩ হাজার টাকা জমা হচ্ছে…” প্রাপকদের উদ্দেশে কী বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী
কলকাতা: আগামিকাল প্রকাশ্যে আসবে অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম। কল্যাণীতে সমন্বয় বৈঠক শেষে বেরিয়ে সাংবাদিকদের সামনাসামনি হয়ে এই কথাই জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এ ছাড়াও তিনি জানালেন, অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্ম প্রকাশ হলেও, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার চালু থাকবে। কারণ, এই ক্ষেত্রে যতক্ষণ না কারও অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার চালু হচ্ছে, ততক্ষণ তাঁর লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধ হবে না।
আরও পড়ুন: উপস্থিত তৃণমূলের সাংসদ-বিধায়করা, আগের সরকার ও বর্তমান সরকারের প্রশাসনিক বৈঠকে আর কী কী পার্থক্য?
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আবেদন করেন প্রত্যেকে যেন তাড়াতাড়ি অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে এনরোল করে নিতে। তিনি বলেন, “২৬ মে-এর সমন্বয় মিটিংয়ে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারকে অন্নপূর্ণা যোজনায় কনভার্ট করার কাজ শুরু করার বিষয়ে কথা হয়েছে। আগামিকাল বিকালে আমি এবং সংশ্লিষ্ট দফতরের মাননীয়া মন্ত্রী এবং মুখ্য সচিব, অর্থ সচিব এবং অন্যান্য আধিকারিকদের উপস্থিতিতে অগ্নিমিত্রা পাল এবং আমি একটি ফর্ম পাবলিশ করব। সেই ফর্ম অন্নপূর্ণা যোজনার জন্য ফিলআপ করতে হবে। এবং কালই আমরা বিস্তারিত বলব। কারণ, এনরোলমেন্ট যত তাড়াতাড়ি করবেন, তত তাড়াতাড়ি বেনিফিট আমরা দিতে পারব।”
এ ছাড়াও শুভেন্দু অধিকারী জানান, স্বাস্থ্য সাথী কার্ডের মত লক্ষ্মীর ভাণ্ডারকেও চালিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। তিনি বলেন, “আমাদের অন্নপূর্ণা যোজনার প্রক্রিয়াটা শুরু হয়ে যাবে কাল থেকে। যেমন যেমন ফর্ম ফিলআপ হবে, তেমন তেমন ৩ হাজার টাকা করে ব্যাঙ্কে জমা পড়াও শুরু হয়ে যাবে। আর যতক্ষণ না ৩ হাজার টাকা জমা হচ্ছে, ততক্ষণ লক্ষ্মীর ভাণ্ডারকেও চালিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। যেমন সকলের আয়ুষ্মান ভারতের কার্ড না হওয়া পর্যন্ত স্বাস্থ্য সাথীকেও চালিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। বিস্তারিত কালকে আপনার জানতে পারবেন। ফর্মের কপিও পাবেন আপনারা। অফলাইন ও অনলাইন, দুই রকমই হবে।”
আরও পড়ুন: পথচারীকে ধাক্কা, গ্রেফতার হলেন খুনে অভিযুক্ত ‘পলাতক’ অপসারিত বিডিও প্রশান্ত বর্মন
এ ছাড়াও ফর্ম ফিলআপ করতে বিধায়করা বা স্থানীয় বিডিওর তরফে মানুষকে সাহায্য করা হবে বলেও জানান শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “শুধুমাত্র সাধারণ মানুষের উপর চাপিয়ে দেওয়া হবে, এমন নয়। বিধায়করও নিজের উদ্যোগে ফর্ম ফিলআপ করাবেন। এবং সরকারও বিডিওদের নেতৃত্বে প্রতি বাড়িতে বাড়িতে ফর্ম ফিলআপ করতে সহযোগিতা করবে। মাথায় রাখতে হবে, ভারতীয়রাই কেবল মাত্র এই সুযোগ পাবেন। অভারতীয়রা এই সুযোগ পাবেন না। ভারতের সরকারের টাকা বাংলাদেশ থেকে আসা অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের জন্য নয়। আমরা দেখেছি ডোমকলে পূর্বতন সরকারের আমলে পুরুষরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পেয়েছে।”
