‘১৭ সেপ্টেম্বর রাজ্যজুড়ে অন্নপূর্ণা দিবস পালন করব’, প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর…
কলকাতা : ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্মদিন। সেই উপলক্ষ্যে এবার কর্মসূচির ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন তিনি বলেন, “১৭ সেপ্টেম্বর মোদিজির জন্মদিন। ওইদিন গোটা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে আমরা অন্নপূর্ণা দিবস পালন করব। সব জেলায় জেলায় অন্নপূর্ণা প্রাপকরা জড়ো হবেন, আর আমি কলকাতাতেই এক লক্ষ অন্নপূর্ণাকে নিয়ে সেদিন সভা করব এবং মোদিজির জন্মদিন পালন করব।”
অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে এদিন আর কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী ?
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আজ সাড়ে ১৪ হাজার, আমি বলতে বলতেই হয়তো ঢুকে গেছে, মোট ১৭ হাজার মা অন্নপূর্ণা…আপনাদের অ্যাকাউন্টে তিন হাজার করে টাকা ঢুকল ভবানীপুর বিধানসভায়। এরপরেও যদি আরও যোগ্য কেউ বাকি থাকেন, ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে আবেদন করা লোকেরা…পোর্টালে গিয়ে আবেদন করুন। অনেকে পোর্টাল ব্যবহার করতে জানেন না। বিধায়কের কর্মীরা গিয়ে…মণ্ডলের ভাইরা গিয়ে…ওয়ার্ডের কর্মীরা গিয়ে, মহিলা মোর্চা গিয়ে পোর্টালে নাম নথিভুক্ত করে দেবেন। একজনও যোগ্য বাকি থাকবে না। আপনারা ভরসা-বিশ্বাস ভাই শুভেন্দু অধিকারীর ওপর রাখবেন।”
মাসিক ৩ হাজার টাকা কারা পাবেন ? কাদের নাম বাদ যাবে তালিকা থেকে ? এই নিয়ে ঝাড়াই-বাছাইয়ে বেশ কিছুটা সময় নিয়েছে রাজ্য সরকার। অবশেষে প্রকৃত প্রাপকদের অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু হয় অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা। ১৭ অগাস্ট থেকে ২০ অগাস্ট পর্যন্ত অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা ট্রান্সফারের কথা জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেইমতো যোগ্য প্রাপকদের অ্যাকাউন্টে ঢুকে যায় টাকা। যোগ্য হওয়া স্বত্ত্বেও কারো অ্যাকাউন্টে টাকা না ঢুকলে তার সমাধান কী সে বিষয়ও স্পষ্ট করেছেন তিনি। এর পাশাপাশি ‘অন্নপূর্ণা যোজনা বাহিনী’র ঘোষণা করেছেন তিনি।
কী বলেছিলেন তিনি ?
মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, “উত্তর কলকাতার ৬০টি ওয়ার্ডে এই অন্নপূর্ণা যোজনা বাহিনী …আপনারা নিজেদের মধ্যে একটা গ্রুপ তৈরি করে নেবেন। সংগঠনের মতো। যাতে আগামীদিনে মহিলার অধিকার এবং মহিলাদের ওপর কোনওরকমের অত্যাচার-অবিচার হলে, আপনারা মা-বোনদের পাশে দাঁড়াতে পারেন এবং টুকরে-টুকরে গ্যাং যারা দেশের মধ্যে থেকে দেশকে দুর্বল করতে চায়…আমাদের স্বদেশ-প্রেম-জাতীয়তাবাদে আঘাত করে চায় তাদের বিরুদ্ধে আপনারা মা মাতঙ্গিনী হাজরার মতো অথবা রানি রাসমনির মতো অথবা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের মতো আগামীদিনে বীরাঙ্গনার ভূমিকা নেবেন। দেশমাতৃকাকে- রাষ্ট্রকে ভারতীয় সংস্কৃতি-বাঙালি সংস্কৃতি এবং আমাদের যে ঐতিহ্য সেটা রক্ষা করার জন্য। আপনারা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সহযোগিনী হিসাবে কাজ করবেন। আমরা নিশ্চিত, এই রাজ্যের একজনও উপযুক্ত মা-বোন-দিদি আমাদের এই কর্মসূচি বা এই প্রতিশ্রুতি থেকে বঞ্চিত হবেন না।”
Jadavpur University: মেরামত করে ফিরল ঐতিহ্যের এমব্লেম, ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি যাদবপুরে
