Voice of Eastern India

বারুইপুরকাণ্ডে ধৃত সিপিএম নেতা লাহেক আলির ৮ দিনের পুলিশ হেফাজত, আদালতে ঢোকার সময় কী বলেছেন তিনি?


পার্থপ্রতিম ঘোষ, কলকাতা : বারুইপুরে অশান্তিতে উস্কানির ঘটনায় গ্রেফতার সিপিএম নেতা লাহেক আলি। ৮ দিনের পুলিশ হেফাজতে সিপিএম নেতা লাহেক আলি। ‘বারুইপুর গণধর্ষণ-খুনের ঘটনায় নাবালিকাকে উদ্ধারের সময় প্ররোচনামূলক বক্তব্য রেখেছিল লাহেক। লাহেক আলির উস্কানিতেই বারুইপুরে গণপিটুনির ঘটনা ঘটেছে। প্ররোচনামূলক বক্তব্যের পরই পুলিশকে মারধর করা হয়েছে। লাহেক আলি জমায়েত সংগঠিত করেছেন, আদালতে দাবি বিশেষ সরকারি আইনজীবির। ১১ তারিখ অভিযোগ দায়ের, ১২ তারিখ মামলার পরই গ্রেফতার। ‘গোটাটাই রাজনৈতিক পরিকল্পনা’, পাল্টা আদালতে সওয়াল লাহেক আলির আইনজীবীর। ধৃতের দাবি, ‘সম্পূর্ণ মিথ্যে অভিযোগ। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে হচ্ছে। প্রতিবাদের মুখ বন্ধ করা হচ্ছে।’ আদালতে ঢোকার আগে এই কথাই শোনা গিয়েছে লাহেক আলির মুখে। পুলিশ লাহেক আলিকে ১৪ দিনের জন্য হেফাজতে চেয়ে আবেদন করেছিল। ৮ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। 

বিশেষ সরকারি আইনজীবী বিভাস চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ‘এ প্রথম উস্কানিমূলক বক্তব্য দেয়। যার ফলে গণপিটুনি, থানা পোড়ানো, তার আগে পরে জনসাধারণের সম্পত্তি নষ্ট, বিভিন্ন ধরনের ঘটনা ঘটেছে। বাড়ি থেকে বের করে এনে গণপিটুনির যে ঘটনা ঘটেছে, তার পিছনে এনার এই উস্কানিমূলক মন্তব্যই দায়ী। এছাড়াও রেললাইন উপড়ে দেওয়া থেকে শুরু করে রেলে যাঁরা যাতায়াত করেন, তাঁদের নিরাপত্তা… অনেকগুলো বিষয় আছে। ঘর পোড়ানো, জনসাধারণের সম্পত্তি নষ্ট করা, সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করা… আদালতে সবই পেশ করা হয়েছে।’ 

বারুইপুরকাণ্ডে গ্রেফতার সিপিএম নেতা লাহেক আলি, কোন কোন ধারায় মামলা রুজু তাঁর বিরুদ্ধে ?

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, লাহেক আলির উস্কানিতেই অশান্তি হয়েছে। এক স্থানীয় বাসিন্দার অভিযোগ, ‘লাহেক আলি আর অপুর জন্য এসব হয়েছে। ওরা দু’জনেই বারবার বলছিল শান্তনু মণ্ডল এর সঙ্গে জড়িত। শান্তনু মণ্ডল ক্যাম্প থেকে ২ জন আসামীকে পার করে দিয়েছে। ওরা গাড়ি ভাঙচুর করে, জ্বালিয়ে দেয়। আমরা পাড়া থেকে এসে দেখি বাড়িতে আগুন জ্বলছে।’ আরেক যুবকের অভিযোগ, ‘লাহেক আলি এসে কিছু না জেনে, না বুঝে বলে দিল শান্তনু মণ্ডল বিজেপির ছেলে, নেতা হয়েছে, সেই ঘটনার মূল, সেই এর মধ্যে জড়িত থেকে দোষীদেরকে পার করে দেওয়া বা তার মধ্যে জড়িত শান্তনু মণ্ডল। অথচ আদৌ সে জড়িত নয়। ঘটনার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নির্যাতিতার বাবার সঙ্গে থেকে, পরিবারের সঙ্গে থেকে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করল। শেষপর্যন্ত তাঁকে ফাঁসানোর চেষ্টা হল।’ 



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.