কলকাতা: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। অবশেষে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করেছে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু। আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুযায়ী, উত্তরবঙ্গের অধিকাংশ জেলায় বর্ষা ইতিমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছে এবং আগামী কয়েক দিনের মধ্যে দক্ষিণবঙ্গের বাকি অংশেও বর্ষার অগ্রগতি আরও জোরদার হবে।
বর্ষার প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে বৃষ্টির দাপট বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, বেশ কয়েকটি জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গেও ধীরে ধীরে বৃষ্টি বাড়বে, ফলে গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়া থেকে কিছুটা স্বস্তি মিলতে পারে।
আবহাওয়াবিদদের মতে, বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প প্রবেশ করায় আগামী কয়েক দিন বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে। কোথাও কোথাও ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়াও বইতে পারে।
আগামী কয়েকদিন উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, দার্জিলিং, কালিম্পং-সহ বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টির দাপট বাড়তে পারে। একই সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝোড়ো হাওয়ারও সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর।
আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ১৮ জুন থেকে ২০ জুন পর্যন্ত জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহার জেলায় ৭ থেকে ২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। দার্জিলিং, কালিম্পং এবং উত্তর দিনাজপুরে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
এছাড়াও মালদা, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় ঘণ্টায় ৪০-৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া, বজ্রপাত এবং বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের অন্যান্য জেলাতেও ৩০-৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।
বর্ষার এই অগ্রগতির ফলে কৃষিক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে ভারী বৃষ্টির কারণে জল জমা, যানজট এবং পাহাড়ি এলাকায় ধসের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
TMC News: শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবের খেলার মাঠের ঘর থেকে উদ্ধার প্রচুর ত্রাণ সামগ্রী
