Voice of Eastern India

Trinamool: তৃণমূল আমলে অত্যাচারের অভিযোগ, হাতের কাছে পেয়ে চুলের মুঠি ধরে বেধড়ক মার তৃণমূল নেত্রীকে


জলপাইগুড়ি: তৃণমূল নেতা কৃষ্ণ দাসের মেয়েকে ঘিরে বিক্ষোভ। জলপাইগুড়িতে তৃণমূল পরিচালিত জেলা পরিষদের শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ তৃণমূল নেত্রীকে ঘিরে বিক্ষোভ। চুলের মুঠি ধরে বেধড়ক মারধর করা হয় তাঁকে। জেলা পরিষদের শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ ওই তৃণমূল নেত্রী প্রণয়িতা দাসকে দেখে চার দিক থেকে ‘চোর চোর’ আওয়াজ ওঠে।

আরও পড়ুন: প্রশ্ন ফাঁসে মিছিল, পাল্টা মিছিল; গ্রেফতারের চেষ্টা ঐশী ঘোষকে, মার্ক্স ও লেনিনের পোস্টার পোড়ালো বিজেপি

জলপাইগুড়ি সদরের তৃণমূল নেতা কৃষ্ণ দাসের মেয়ে হলেন এই প্রণয়িতা দাস। তিনি জলপাইগুড়ির তৃণমূল পরিচালিত জেলা পরিষদের শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ। তৃণমূল আমলে বিজেপি কর্মীদের উপর অত্যাচার করেছিলেন তিনি, ওই নেত্রী প্রণয়িতা দাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ এমনই। আর সেই কারণেই তাঁর চুলের মুঠি ধরে বেধড়ক মারধর করা হয়। তাঁকে পুলিশরা ঘিরে থাকার পরও এই আক্রমণের হাত থেকে বাঁচাতে পারেননি।

৩০ মে সোনারপুরে যাওয়ার সময় জনরোষের শিকার হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেদিন এক মৃত তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে যাচ্ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। দলের এক কর্মীর বাইকে চড়ে তিনি যাচ্ছিলেন ওই কর্মীর বাড়িতে। তিনি যখন আসছিলেন, তখন তাঁকে কামালগাজী মোড়ের কাছে কালো পতাকা দেখানো হয়। এমনকি ‘চোর’ স্লোগানও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। যদিও এই সব ঘটনায় কোনও আমল দিচ্ছেন না অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee), বলেন নিজেই। 

আরও পড়ুন: প্রশ্ন ফাঁসে মিছিল, পাল্টা মিছিল; গ্রেফতারের চেষ্টা ঐশী ঘোষকে, মার্ক্স ও লেনিনের পোস্টার পোড়ালো বিজেপি

দলীয় এক কর্মীর বাইকে চড়ে যখন সোনারপুরে ঢোকেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee), তখন তাঁকে ঘিরে ফেলে উত্তেজিত জনতা। জনতার মধ্যে থেকে তাঁকে বের করার চেষ্টা করে নিরাপত্তারক্ষীরা। তাঁর সুরক্ষার জন্য তাঁকে পরিয়ে দেওয়া হয় একটি হেলমেটও। এরপরই তাঁর দিকে ডিম ছুঁড়তে থাকে উত্তেজিত জনতা।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)কে ঘিরে এই ধুন্ধুমারের মধ্যে ছিঁড়ে যায় তাঁর জামা। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) অভিযোগ করেন, কোথাও পুলিশ নেই। অবশেষে বিকাল ৫ টার দিকে সোনারপুরের মৃত তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে পৌঁছন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)।

তারপর একাধিক তৃণমূল নেতা জনরোষের শিকার হয়েছে। কেউ মার খেয়েছেন, আবার কাউকে ছোড়া হয়েছে ডিমও। পরবর্তীতে এই নিয়ে বক্তব্যও রেখেছেন তৃণমূল নেতা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “ডিম খাই, লাঠি খাই, গালাগাল খাই, যাই খাই… এটা তো রাজনীতির অঙ্গ। ঘরে বসে থাকলে তো হবে না। আজও পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের মানুষ মমতাদিকে চাইছে। বাংলার মানুষ মমতাদির দিকেই তাকিয়ে আছে। মমতাদির জন্য লড়াই করতে আমি প্রস্তুত আছি।”



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.