Voice of Eastern India

TMC Leader Arrested: গ্রেফতার তৃণমূলের ‘বচ্চন’, বিমানবন্দর সংলগ্ন এলাকা থেকে ধৃত TMC যুব সভাপতি, কী অভিযোগ?


কলকাতা : দক্ষিণ কলকাতার আনন্দপুরে একটি তোলাবাজির মামলায় ১০৮ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের যুব সভাপতি সুজিত কুমার ওরফে বচ্চনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। কলকাতা বিমানবন্দর সংলগ্ন এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে আনন্দপুর থানা। ধৃত ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করছিল বলে খবর পুলিশ সূত্রে। 

দক্ষিণ কলকাতার আনন্দপুরে তোলাবাজির মামলায় গ্রেফতার যুব তৃণমূল নেতা। ধৃত ১০৮ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের যুব সভাপতি সুজিত কুমার ওরফে বচ্চন। কলকাতা বিমানবন্দর সংলগ্ন এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। আনন্দপুর থানা থেকে তাঁকে বের করে নিয়ে যাওয়ার সময় ছোঁড়া হয় ডিম। বিক্ষোভ দেখান স্থানীয়রা। 

ব্যারাকপুরে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা 

অন্যদিকে, ভোট পরবর্তী হিংসা, তোলাবাজি, হুমকি, ভয় দেখানো, পুকুর ভরাট করার অভিযোগে গ্রেফতার করা হল একজন তৃণমূল নেতাকে। ব্যারাকপুর ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ ও বিলকান্দা ২ নম্বর অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি সজল দাসকে গ্রেফতার করল নিউ ব্যারাকপুর থানা। ধৃতের বিরুদ্ধে একাধিক অত্যাচারের অভিযোগে নিউ ব্যারাকপুর থানার সামনে বিক্ষোভে দেখান স্থানীয় বাসিন্দারা। 

হাওড়ায় প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের বাড়ির সামনে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন স্থানীয় বাসিন্দারা 

আমতার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুকান্ত পালের তাজপুরের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখান এলাকাবাসী। মহিলারা হাতে জুতো, ঝাঁটা নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন। ‘চোর’ স্লোগানও দেওয়া হয়। সুকান্ত পালের বাড়িতে প্রচুর ত্রাণ মজুত আছে বলে অভিযোগ করেন তাঁরা। আমতা থানার পুলিশ, ব্লক প্রশাসনিক আধিকারিকরা প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে ঢুকে প্রচুর ত্রিপল, জামাকাপড় উদ্ধার করে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা বঞ্চিত। প্রতি বন্যার সময়ে ত্রাণ এলেও সেটা তাঁদের কাছে পৌঁছত না। বিক্ষোভের সময়ে বাড়িতে ছিলেন না সুকান্ত পাল। বারবার তাঁর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাঁকে ফোনে পাওয়া যায়নি। 

বেহালার তৃণমূল কাউন্সিলরের অফিসের ভিতর মিলল একাধিক বিলাসবহুল ঘর, শৌচাগার 

তৃণমূল কাউন্সিলরের অফিস থেকে উদ্ধার হল প্রচুর পরিমাণে সরকারি ত্রাণ সামগ্রী। অফিসের ভিতর খোঁজ মিলল একাধিক বিলাসবহুল ঘর, শৌচাগারের। বেহালার কোকোলা বাগান এলাকায় তৃণমূল কাউন্সিলরের অফিস ঘিরে বিক্ষোভ দেখালেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ১২০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষের অফিস ঘিরে গতকাল রাত পর্যন্ত উত্তেজনা চলে। কাউন্সিলরের অফিসের উল্টোদিকের একটি কারখানার সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়ে, অফিস থেকে ত্রাণের বালতি সহ অন্যান্য সামগ্রী সরিয়ে ফেলা হচ্ছে। ফুটেজ দেখে বেহালা থানায় খবর দেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এরপরে পুলিশের সঙ্গে কাউন্সিলরের অফিসে ঢুকে পড়ে এলাকাবাসীও। সেখানে একাধিক বিলাসবহুল ঘর, শৌচাগারের খোঁজ মেলে। কাউন্সিলরের অফিসে অসামাজিক কাজ হতো বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। জমি জবরদখল করে এই অফিস তৈরি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তাঁরা। 



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.