Voice of Eastern India

Surendranath College : সুরেন্দ্রনাথ কলেজে উদ্ধার টাকা ও নেতার ‘বেডরুম’ ! ‘একটা ব়্যেকেট…,’ কী বললেন দেবজিৎ সরকার ?


কলকাতা : খবরের শিরোনামে এখন সুরেন্দ্রনাথ কলেজ। একদিনেই দুই ভয়ঙ্কর কাণ্ড। ২টো ব্যাগ ভর্তি টাকা উদ্ধারের পর, কলেজের ৪ তলার ছাদে তৃণমূল নেতার ‘বেডরুম’ হদিশ। একদিকে টাকার পাহাড় উদ্ধার, অন্যদিকে ঝাঁ-চকচকে বেডরুম! তৃণমূলের জমানায় কলেজ ইউনিয়ন রুমে কী চলত ঠিক? ছাত্র রাজনীতির নামে এসব কী? উঠছে এই ধরণের নানা প্রশ্ন। তৃণমূল নেতার ‘বেডরুম’-এর খবর প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়ে যায় রাজ্যে।

সুরেন্দ্রনাথ কলেজের ৪ চলার ছাদের উপরে ২টি রুম। কী নেই এই রুমে। ঝাঁ চকচকে রুম, AC, গদি দেওয়া খাট, মার্বেল বসানো বাথরুম, দামি চেয়ার, টেবিল, আলমারি, সবকিছু আছে এই রুমে। টাকার ব্যাগ উদ্ধারের পরই হদিশ মিলল নেতার ‘বেডরুমের’। অভিযোগ, সুরেন্দ্রনাথ কলেজের পরিচালন সমিতির চেয়ারম্যান তৃণমূল নেতা দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর ছেলে শিবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়, যিনি পরিচালন সমিতির সদস্যও, এই রুম তাঁদের। তবে, কলেজে নেতা বাবা-ছেলের এই ঝাঁ চকচকে ‘বেডরুম’ হদিশ, ভাবিয়ে তুলছে সাধারণ মানুষের মনকে। 

আরও পড়ুন – সুরেন্দ্রনাথ কলেজে তৃণমূল নেতার ঝাঁ চকচকে বেডরুম থেকে বাথরুম ! AC, খাট, গদি ! কী চলত ভেতরে ?

সুরেন্দ্রনাথ কলেজের ইউনিয়ন রুম থেকে উদ্ধার হয় টাকা। সেখানকার আলমারি ভেঙে এই লক্ষাধিক টাকা উদ্ধার হয়েছে। ২টো ট্রলি ব্যাগ উদ্ধার হয়। যখন আলমারি ভাঙা হয়, সেখানে পার্টির হোডিং, ব্যানার ইত্যাদি ছিল। সঙ্গে ছিল এই দুটো ট্রলি ব্যাগ। আর ব্যাগ খুলতেই দেখা যায়, উইপোকা খেয়ে যাওয়া লক্ষ লক্ষ টাকা। যেখানে আছে ৫০০ ও ১০০ টাকার নোট। এগুলো একেবারেই ব্যবহার যোগ্য নয়। কারণ পুরো টাকা’টাই উইপোকায় খেয়ে নিয়েছে। বহু বছর যেহেতু কলেজ নির্বাচন হয়নি, তাই হাইকোর্টের নির্দেশে সমস্ত ইউনিয়ন রুম বন্ধ করে দেওয়া হয়। কিন্তু আজ যখন পুরসভার সাফাই কর্মীরা যান এবং আধিকারিকরা রুম খুলে তাঁদের পরিষ্কার করার নির্দেশ দেন। তখন দেখা যায়, ভেতরের আলমারিতে দুটো ব্যাগে লক্ষ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়। 

আরও পড়ুন – উইপোকায় খেয়েছে ব্যাগ ভর্তি টাকা ! উদ্ধার সুরেন্দ্রনাথ কলেজের ইউনিয়ন রুম থেকে, কার টাকা ? কোথা থেকে এল ?

এই ঘটনা নিয়ে বিজেপির প্রধান মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার জানান, ”সুরেন্দ্রনাথ কলেজ সহ সারা পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত কলেজে তৃণমূল জমানায় একটা ব়্যেকেট চলতো। এই যে ছাত্রদের সঙ্গে তাদের সহায়তা করার জন্য একটা কেন্দ্র, প্রত্যেক জায়গায় তৃণমূলের লোকেরা বসাতো, সেটার কারণ হচ্ছে টাকা তোলার একটা সিস্টেম। সেই টাকার আবার ৭০-৭৫ শতাংশ ভাগ হত, এবং লুটে-পুটে খাই সবাই। আদি গঙ্গার ধারে ওই যে পর্ণ কুটির, ওই যে শান্তির বাড়ি, সবাই এই টাকার ভাগ পেয়েছেন। আমরা কিছু জানিনা, ওরা জানে, এসব করবেন না। ডাকাতের দলে সবাই ডাকাত।”



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.