Voice of Eastern India

Ritabrata Banerjee: যে ‘জল্পনা’ উঠেছে, সেটা কি মিথ্যে ? সাংবাদিকদের মুখোমুখি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়


কলকাতা:  সইজালকাণ্ডে অস্বস্তিতে পড়ে দুই বিধায়ককে বহিষ্কার করে তৃণমূল। বহিষ্কৃত হয়েই সদ্যজয়ী বিধায়করা আক্রমণ করেন দলকে। ইতিমধ্যেই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, তৃণমূল দলটা উঠে যাবে, থাকবে না। এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় গড়িয়েছে অনেক জল। একাধিক প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। এদিন বিধানসভা থেকে বাইরে বেরিয়ে এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুন, অন্নপূর্ণা যোজনার ‘টাকা ট্রান্সফার’ নিয়ে জরুরি বার্তা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর, “কাল আমরা..”

প্রশ্ন: এই আপনি আড়াই ঘণ্টা বিধানসভায় ছিলেন…যে জল্পনার মধ্যে আপনি..

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়: স্বাভাবিকভাবে আমি, অন্য কোনও কর্মসূচি না থাকলে, বিধানসভায় আসি। আমার ব্যক্তিগত কিছু কাজও ছিল। সেই কাজগুলিও করেছি। 

প্রশ্ন: যে জল্পনা উঠেছে, সেটা কি মিথ্যে ? এই আপনি ৫০-৫৫ জন বিধায়ককে নিয়ে তৃণমূলের, আলাদাভাবে বিরোধী দলের তকমা চাইতে পারেন ?..

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়:  আমি এরকম জানি না। গল্পের গরু তো গাছে ওঠাতে পারব না। আমার কাছে এইরকম কোনও আইডিয়া নেই। 

প্রশ্ন: আপনি আসার আগে, বিজেপি বিধায়ক তাপস রায়, তিনি পোস্ট করছেন, যে আপনি ৫০ জনের নামের তালিকা নিয়ে, বিধানসভায় ঢুকছেন। তৃণমূল দলটা আর থাকবে না। এইটার সঙ্গে কোনও সম্পর্ক রয়েছে ?

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় : তাপস দা (তাপস রায়), তিনি এখন রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী। আমি ঘটনাচক্রে দেখার সুযোগ পায়নি, তাপসদা কী পোস্ট করেছেন ? তাপসদা সম্মানীয় মানুষ, তিনি যেটা পোস্ট করেছেন, তিনি বলতে পারবেন। আমার কাছে কোনও এই ধরণের ইনফরমেশন নেই। 

প্রশ্ন: আপনি এই যে কয়েকদিন ধরে মিটিং করছেন বলে, দেখা যাচ্ছে, বলা হচ্ছে , এইটা নিয়ে কী বলবেন ? 

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় : আমি তো গতকাল,…সাংবাদিক বন্ধুরা আমাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, যে একজন নাকি অভিযোগ করেছেন, আমি নাকি দক্ষিণ কলকাতার একটা হোটেলে দীর্ঘক্ষণ নাকি বিভিন্ন এমএলএ-র সঙ্গে মিট করেছি। আমি আবারও প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ করছি, আর আমি আইনজীবীর পরামর্শ নিয়েছি, কারণ এটাও ডিফামেশন। আমি কোর্টকে বলব, তদন্ত করে, আমার টাওয়ার লোকেশনটা চেক করে দেওয়া হোক।  আমি কোথায় ছিলাম…আমি এর জন্য প্রশাসনকে জানাবো। কারণ আমার মনে হয়েছে, এতে আমার মানহানি হয়েছে।  

প্রশ্ন: একটা চিঠি জমা পড়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফ থেকে। 

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় : কী চিঠি আমি জানি না। আমার কাছে কোনও এমন আইডিয়া নেই। ..জানি না চিঠির কনটেন্ট কী আছে, দেখব, পড়ে নেব। …এই যে বসিং অ্যাটিচিউড, গ্রাউন্ডের সঙ্গে গ্রাসরুটের কোনই যোগাযোগ নেই। এটা আমায় তো অ্যাড্রেস করেননি। যাকে অ্যাড্রেস করেছেন, অনারেবল চেয়ার বলতে পারবেন।…কোনও রেজলিউশন তো হয়নি… শোভনদাকে দলনেতা করার রেজলিউশন তো বিধায়কদের সামনে প্লেস করতে হবে।  এবং রেজোলিউশন তো পাইনি আমরা। 

প্রশ্ন: আপনি কি আগামীদিনে এই চিঠি দেবেন…

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় : আই লিভ ফর অ্যা ডে, তাই আমি বলতে পারছি না, কাল কী হবে, আমি এখুনি বলতে পারছি না। 

প্রশ্ন : যেহেতু দল আপনাকে বহিষ্কার করেছে, আপনার ভূমিকা কী হবে ?

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় : আমি  সংবাদ মাধ্যমের থেকে শুনেছি, আমি বহিষ্কৃত। 

প্রশ্ন: গতকাল আপনি একটা সাক্ষাৎকারে বলেছেন যে, তৃণমূল দলটা আর থাকবে না,  কিন্তু আজকে যখন আপনি বিধানসভায় ঢুকছিলেন, তখন বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আপনার নেত্রী। তাহলে কি গতকালের অবস্থান থেকে সরে এসেছেন ?

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় : অবস্থানের ব্যাপার নয়, আমি কী বলেছি, তৃণমূলটা একটা গ্রাসরুট পার্টি। লড়াই সংগ্রামের মধ্য দিয়ে তৈরি হওয়া পার্টি। …এবার পার্টিটা হাইজ্যাক হয়ে গিয়েছে। ধরুন আমরা…আমাদের পার্টির নেতা কে, যার সঙ্গে আমরা কমিউকেট করি।  তো আমার কমিউনিকেটিং মিডিয়াম তো পার্টির কেউ নয়। যদি বলেন বস, তাহলে বস। 

 



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.