Mamata Banerjee: ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গায়ে যদি হাত পড়ে…’, হালিশহরে তুলকালাম, কী বলছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়
সমীরণ পাল, উত্তর ২৪ পরগনা : হালিশহরে তুলকালাম। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়ি লক্ষ্য করে ছোড়া হল কাদা, জুতো। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে দেখে উঠল ‘চোর চোর’ স্লোগান। এই প্রসঙ্গে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, ‘যেভাবে অত্যাচার করা হয়েছে, এটা কাস্টোডিয়াল ডেথ, এবং কাসটোডিয়াল ডেথ যখন হয়, তখন তার বিচার হবে। বাড়ির লোককে ভয় দেখিয়ে আমাদের এই বিচার ব্যবস্থা থেকে সরিয়ে রাখতে পারবে না। আমরা করব, আমরা দেখব, মমতাদি আছে। আজকে যেভাবে ওদের ভয় দেখিয়ে বাড়ির ভিতর ঢুকিয়ে রাখা হয়েছে… তা বাংলার মানুষ কেন, ভারতবর্ষের মানুষ দেখবে বিচারব্যবস্থা কী… এই বিচারব্যবস্থায়… এই আইসি- র… এদের বিচার হবে। আমরা অবিলম্বে ডিজি এবং সিপি- র অবিলম্বে ইস্তফার দাবি করছি। কারণ ডিজি এবং সিপি- র নির্দেশে রাত্রিবেলা ২টোর সময় তুলে নিয়ে গিয়ে, লেডিস হস্টেলে নিয়ে গিয়ে, পিটিয়ে মারা হয়েছে। আমরা এর বিচার চাই। আমরা এখানে কাঁচরাপাড়ার রাস্তায় ঢোকার পর থেকে বিজেপি যেভাবে অত্যাচার করছে, বোঝা যাচ্ছে শুভেন্দু অধিকারী পুলিশ দিয়ে একটা রাজত্ব চালাচ্ছে। শুভেন্দু অধিকারী সমস্ত মাফিয়াদের একটা রাজ্য তৈরি করে দিয়েছে। পুলিশকে বলেছিল না সমস্ত ক্ষমতা দিচ্ছি… সমস্ত ক্ষমতা দেওয়ার পর কাস্টোডিয়াল ডেথ শুরু হল। পশ্চিমবঙ্গে কাস্টোডিয়াল ডেথ ছিল না। আমরা যা দেখলাম তাতে মনে হয়েছে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে আজকে এখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মারার চক্রান্ত করেছে শুভেন্দু অধিকারী। একদম মারার চক্রান্ত করেছে। বাংলা থামবে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গায়ে যদি হাত পড়ে, গোটা পশ্চিমবাংলা জেগে উঠবে। এভাবে বিজেপির লোক দিয়ে, পুলিশকে সামনে রেখে… এসব করেছে। দিদির ২-৩টে সিকিউরিটির জন্য আমরা বেঁচে গেছি। নাহলে এখানে লোকাল পুলিশের হাতে আমরা শেষ হয়ে যেতাম।’
‘তোলাবাজি করলে ডিমভাজি ফ্রি’, কলকাতার রাস্তায় পোস্টার, কাদের উদ্দেশে বার্তা ‘ক্ষুব্ধ’ বিজেপি কর্মীর
হালিশহরে গিয়ে প্রবল ক্ষোভের মুখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর গাড়িতে হামলা বিক্ষোভকারীদের। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘চোর’ স্লোগান, গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ। গতকাল হালিশহর থানার হেফাজতে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে মৃত্যু তৃণমূলকর্মীর। মৃতের বাড়ি যাওয়ার পথে বিক্ষোভের মুখে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। মমতার গাড়িতে কাদা লেপে বিক্ষোভ স্থানীয় বাসিন্দাদের। মৃত বিরজু কেওত কাঁচরাপাড়া পুরসভার প্রাক্তন পুরপ্রধান কমল অধিকারীর ছায়াসঙ্গী। তোলাবাজি-সহ একাধিক অভিযোগে ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। গতকাল ধৃতকে ৫ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। গতকালই অসুস্থ হয়ে পড়লে ধৃতকে কল্যাণীর JNM হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালেই মৃত্যু হয় ধৃত বিরজু কেওতের, দাবি পুলিশের।
