Mamata Banerjee: ‘উনি লাশের রাজনীতি করতেই ভালোবাসেন, বাবা যেদিন মারা গেলেন…’, মমতাকে নিয়ে কী বললেন মুকুলপুত্র শুভ্রাংশু
কলকাতা : পুলিশি হেফাজতে মৃত তৃণমূলকর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে রবিবার হালিশহরে বিক্ষোভের মুখে পড়েন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাস্তায় তাঁর গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ দেখানো হয়। ওঠে ‘চোর চোর’ স্লোগান। মমতার গাড়ি লক্ষ্য করে ছোড়া হয় জুতো, চটি, জলের বোতল। গাড়িতে লেপে দেওয়া হয় কাদা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, তাঁর গাড়িতে পাথর ছোড়া হয়েছে।
রবিবার হালিশহরের এই ঘটনা প্রসঙ্গে মুকুল রায়ের পুত্র শুভ্রাংশু রায় বলেছেন, ‘লাশের রাজনীতি করতেই বেশি ভালোবাসেন। রং চড়িয়ে নাটক করে অনেক কিছু বলতেও ভালোবাসেন। ইট কোনও সময় পাথর হয়ে যায়। কাদা কোনও সময় ঢিল হয়ে যায়। যেটা কালকে উনি বলেছেন, সেটা সবাই আপনারা দেখেছেন। তবে আমার খারাপ লেগেছে, যে তাঁর সর্বক্ষণের সঙ্গী ছিলেন, তিনি যেদিন মারা গেলেন, উনি একবারও সুযোগ পেলেন না আসার। একবারও সুযোগ পেলেন না বিধানসভায় যাওয়ার। তখন উনি মুখ্যমন্ত্রী। অভিষেকবাবু সেদিন প্র্যাক্টিকালি আমার বাবার দেহটা নিয়ে রাজনীতি করে গেলেন। অনেকে আসতে চেয়েছিলেন বিরোধী দলের, তাঁদের আসতে দেওয়া হয়নি এবং মৃতদেহটাকে প্র্যাক্টিকালি হাইজ্যাক করা হয়েছিল।’
‘তোলাবাজের সঙ্গে বৈঠক কেন?’, মন্ত্রীকে দেখেই অগ্নিশর্মা বিজেপি কর্মী, প্রকাশ্যেই ছুড়লেন প্রশ্ন
তোলাবাজি, মারধর-সহ একাধিক অভিযোগে বৃহস্পতিবার তৃণমূলকর্মী বিরজু কেওটকে গ্রেফতার করে হালিশহর থানার পুলিশ। শুক্রবার তাঁর ৫ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। শনিবার ভোররাতে অচৈতন্য অবস্থায় বিরজু কেওটকে নিয়ে যাওয়া হয় কল্যাণী JNM মেডিক্যাল কলেজে। চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। সোমবার মৃতের বাড়িতে গিয়ে লকআপে মৃত্যুর কথা স্বীকার করে নেন মুখ্যমন্ত্রী। এই পরিস্থিতিতে বিচার চাইছে মৃতের পরিবার। মৃতের স্ত্রী জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন, এবং তাঁর ভরসা রয়েছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপর।
স্কুল শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় নতুন অনিশ্চয়তা ? বিজ্ঞপ্তি দিয়ে কী জানাল মধ্যশিক্ষা পর্ষদ ?
৫ বছরে আড়াই হাজার কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি, টুলুর ‘জাল DCR’ কারবারের জাল ছড়িয়েছিল কতদূর ?
হালিশহরে মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের গাড়িতে হামলাকারীদের পরিচয় নিয়ে তুঙ্গে উঠেছে রাজনৈতিক তরজা। বিজেপি ছবি দেখিয়ে দাবি করেছে, যে ব্যক্তিকে কাদা ছুড়তে দেখা গেছে, তিনি তৃণমূলেরই কর্মী। পাল্টা ‘কালীঘাট-তৃণমূল’ ছবি পোস্ট করে লিখেছে, হামলাকারীরা বিজেপির দুষ্কৃতী। কারা হামলা চালাল? কে কোন দলে? কার দাবি সত্যি? পুরোটাই এখনও ধোঁয়াশায়।
