Voice of Eastern India

Kolkata News: ভরসন্ধ্যায় ভবানীপুরে হুড়মুড়িয়ে ভাঙল লাইব্রেরির একাংশ, লাগাতার ভারী বৃষ্টিতেই কি বিপর্যয় ?


অনির্বাণ বিশ্বাস, কলকাতা : ভবানীপুরে ভেঙে পড়ল ৮২ বছরের পুরনো লাইব্রেরির একাংশ। ঘটনাস্থলে পুলিশ-দমকল। তবে কোনও হতাহতের খবর নেই। ধীরেন্দ্রনাথ ঘোষ রোডের ভবানীপুর পাঠাগারের একাংশ হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে বুধবার ১২ অগস্ট সন্ধ্যায়। আচমকাই ঘটেছে দুর্ঘটনা। ধীরেন্দ্রনাথ ঘোষ রোডের পাশের লেন ভেঙে পড়া লাইব্রেরির অংশে আটকে যায়। অনুমান, বেশ কয়েকদিন ধরে কলকাতায় যে ভারী বৃষ্টি হচ্ছে, তার জেরে জল জমে গিয়েই পাঠাগারের এই অংশ আচমকা বসে যায়, ভেঙে পড়ে। পাঠাগারের সঙ্গে যুক্ত স্থানীয় মহিলারা জানিয়েছেন, নিজেদের অর্থেই কার্যত এই লাইব্রেরি এতদিন চালিয়ে আসছেন তাঁরা। এভাবে আচমকা পাঠাগারের একটা অংশ ভেঙে পড়ায় মুষড়ে পড়েছেন তাঁরাও। স্থানীয় বিধায়ক এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে সকলে আবেদন জানাবেন যাতে পাঠাগার পুনরুদ্ধার করা যায়, এই কথাও জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

এলাকার অনেকেই বহু পুরনো এই পাঠাগারের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। কেউ বলছেন, এভাবে লাইব্রেরি ভেঙে যাওয়া অনেকটা ‘সন্তান বিয়োগের’ সমান। লাইব্রেরির এক আধিকারিক জানিয়েছেন, তিনি খবর পেয়ে কার্যত ভয়ে কাঁটা হয়ে এলাকায় এসে পৌঁছেছেন, কী সাংঘাতিক ঘটনা ঘটে গিয়েছে সেটা ভেবে। লাইব্রেরির এক কমবয়সী আধিকারিক প্রথম পাঠাগারের একাংশ ভেঙে পড়ার শব্দ শুনতে পেয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। যে বাড়িতে এই পাঠাগার রয়েছে সেটিও প্রায় ২০০ বছরের পুরনো বলে জানা গিয়েছে স্থানীয় সূত্রে। দ্রুত রাস্তা থেকে ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে ফেলার কাজ শুরু করেছিল কলকাতা পুরসভা। জোরকদমে কাজ চালায় তারা। ৮২ বছরের পুরনো পাঠাগারের একাংশ এভাবে ভেঙে পড়ায় মন খারাপ স্থানীয় বাসিন্দাদের এবং লাইব্রেরির সঙ্গে যুক্ত এলাকাবাসীর। 

আবাসের ঘর পেতে চান? কেউ যেন বঞ্চিত না থাকেন, বড় আবেদন পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষের 

কয়েকদিন ধরেই ভারী বৃষ্টি হচ্ছে কলকাতায়। আজও দক্ষিণবঙ্গে তুমুল দুর্যোগের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। অতিরিক্ত ভারী বৃষ্টি হতে পারে বেশ কিছু জেলায়। ১৩ অগস্ট বৃহস্পতিবারেও দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতাও রয়েছে। ৭ থেকে ১১ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। তার জন্য জারি হয়েছে হলুদ সতর্কতাও। অন্যদিকে, ২০ সেন্টিমিটারের বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বাঁকুড়া এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে। জারি হয়েছে লাল সতর্কতা। এছাড়াও পুরুলিয়া ঝাড়গ্রাম, পূর্ব মেদিনীপুর, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, হুগলি জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি অর্থাৎ ৭ থেকে ১১ সেন্টিমিটার বৃষ্টি হতে পারে। এইসব জেলায় কমলা সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার গতিবেগে অথবা ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে বইতে পারে দমকা ঝোড়ো হাওয়া। 



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.