Voice of Eastern India

Kalyan Banerjee: ‘বেরোতে হবে ভাই… ডিম খাই, লাঠি খাই, গালাগাল খাই, যাই খাই…’, ফের কল্যাণের নিশানায় অভিষেক


বিজেন্দ্র সিংহ, নয়া দিল্লি : কালীঘাট তৃণমূলের ২১ জুলাইয়ের মঞ্চে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘বাদানুবাদ’- ইতিমধ্যে ভাইরাল। রীতিমতো ক্ষুব্ধ ছিলেন তৃণমূল সাংসদ, তা স্পষ্ট বোঝা গিয়েছে কল্যাণের কথাবার্তায়। ফের একবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে সরব হয়েছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এর আগেও অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের সমালোচনায় সরব হয়েছিলেন কল্য়াণ বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। 

অভিষেকের আচরণে ক্ষুব্ধ তৃণমূল সাংসদ, কী বলেছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় 

কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, ‘১২টা ৪১ নাগাদ আমি দিদিকে টেক্সট করলাম যে, আপনি তাড়াতাড়ি আসুন। ১২টা ৪৫ নাগাদ দিদি আমাকে জানাচ্ছে বিজেপির লোকেরা আটকে রেখেছে, যেতে পারছি না। তখন আমায় বক্তৃতা দেওয়ালো। আমি শুরু করলাম। এবার আমি শুরু করার কিছুক্ষণ পরেই অভিষেক এল। অভিষেক আসার পর সারা মঞ্চ ঘুরে বেড়াল, হাততালি কুড়াল। তার মানে তো ৫-৭ মিনিট আটকে থাকতে হল। একটা বক্তৃতা দেওয়ার সময় যে ওভাবে ঘুরতে নেই, এটা নরমাল কার্টেসি। বক্তৃতাটা শেষ হয়ে গেলে ঘুরুক না… একটা কেউ যখন বক্তৃতা দিচ্ছেন, তার মাঝে যেন ডিসটার্বেন্স না হয়… আমার পপুলারিটি কতটা, সেটা দেখানোর জায়গা তো ওটা নয়, পরেও তো দেখাতে পারত। ৭ মিনিট আমি থেমে গেলাম। এরপর আবার শুরু করলাম, মমতাদি এল। আর দিদিকে দেখার জন্য লোকজন হইচই করছে, সেটাই স্বাভাবিক। আমায় ৫-৭ মিনিট প্রায় বন্ধ করতে হল। তাহলে টোটাল কত হল… ১২-১৩ মিনিট আমায় বক্তৃতা বন্ধ রাখতে হয়েছে।’ 

‘দিদি শুধু অভিষেক অভিষেক করলে তো প্রবলেম হয়ে যাচ্ছে আমাদের… অত্যন্ত অসম্মানজনক ভাবে আমাকে বলল…’ ফের বিস্ফোরক কল্যাণ

শিবির বদল করেছেন যাঁরা, তাঁদেরও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় 

কল্যাণ বলেছেন, ‘দল ছেড়ে গেল কেন, একসঙ্গে তো বলতে পারত। ২০২২- এ আমি তো অভিষেকের বিরুদ্ধে বলেছিলাম। তখন এই ৮০ জন কোথায় ছিল? তখন তো অভিষেককে তেলিয়েছিল। ৬০ জন না ৬৫ জন… আর এই ২০ জন… একমাত্র কাকলি ছাড়া, আমি আপনাদের বলে দিচ্ছি একমাত্র কাকলি ছাড়া… সুখেন্দু শেখর রায় এটা প্ল্যান্টেড করেছিল যে চিফ হুইপ থেকে পদত্যাগ করাতে হবে। ২০২২- এ… একমাত্র কাকলি ছাড়া… এটাও সত্য কাকলি সেদিন আমার জন্য ছিল।’ তৃণমূল সাংসদ এও বলেছেন, ‘একজন ভদ্রমহিলা এসে কী বলেছে জানেন, দিদিকে ঘুরতে বলুন, বেরোতে বলুন, নাহলে আমরা সাহস পাচ্ছি না। অভিষেক ব্যানার্জি কী করছে? শুধু নিজের বাড়ি আর কালীঘাট করলে তো হবে না। বেরোতে হবে ভাই। ডিম খাই, লাঠি খাই, গালাগাল খাই, যাই খাই… এটা তো রাজনীতির অঙ্গ। ঘরে বসে থাকলে তো হবে না। আজও পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের মানুষ মমতাদিকে চাইছে। বাংলার মানুষ মমতাদির দিকেই তাকিয়ে আছে। মমতাদির জন্য লড়াই করতে আমি প্রস্তুত আছি। কিন্তু দিদিকেও বুঝতে হবে বাস্তবটা কী। দিদি যদি বাস্তব না বোঝে, তাহলে দিদি যে দল তৈরি করেছে, দিদি নিজের হাতে সেই দল শেষ করবে।’ 



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.