Voice of Eastern India

Hooghly: চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগ, আরামবাগে তৃণমূল নেতাকে ঘিরে চাকরি প্রার্থীদের বিক্ষোভ


আরামবাগ: চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগে প্রাক্তন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তথা তৃণমূল নেতাকে ঘিরে চাকরি প্রার্থীদের বিক্ষোভ।লেখানো হল মুচলেকা। পাশাপাশি চলল ডিম বৃষ্টি। পরে পুলিশের হাতে গ্রেফতার অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা। শুক্রবার এমনই ঘটনাটি ঘটেছে আরামবাগের সালেপুর-১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের পাঁচ মাইল এলাকায়। চাকরি প্রার্থীদের অভিযোগ, ২০১৬ ও ২০১৭ সালে একাধিক চাকরি দেওয়ার নাম করে আরামবাগ পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সভাপতি ও সালেপুর ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান গুণধর খাঁড়া কোটি কোটি টাকা তুলেছিলেন। কিন্তু কারও চাকরি হয়নি। তাঁদের আরও অভিযোগ প্রায় ৫০ থেকে ৭০ জনের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু টাকা সেভাবে কাউকে ফেরত দেওয়া হয়নি। তাই তারা এদিন প্রায় ১৫ জন চাকরি প্রার্থী গুণধর খাড়ার ফার্মে এসে টাকা ফেরতের দাবি করেন। এরপরে এই খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হয় বিজেপির নেতা কর্মীরা। এরপরে গুণধরকে মুচলেকা লেখানো হয়। পাশাপাশি চলে ডিম বৃষ্টি। উঠে চোর চোর স্লোগান।

এবিষয়ে গুণধর  খাঁড়া বলেন, ‘এই বিষয় নিয়ে কেস চলছে, টাকা আমি নিয়েছিলাম। সব টাকা তৎকালিন সময়ে হুগলি জেলা যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে দিয়েছিলাম। আমি ধীরে ধীরে সকলের টাকা ফেরত দিয়ে দেব।’ যদিও আরামবাগের বিজেপি বিধায়ক হেমন্ত বাগ বলেন, ‘গুণধর খাঁড়া পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ও প্রধান থাকাকালিন চাকরি দেওয়ার নাম করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। সবার টাকা ফেরত দিতে হবে।” এরপর ঘটনাস্থলে আরামবাগ থানার পুলিশ পৌঁছে গুণধরকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়। সেইসময় বিজেপি কর্মী সমর্থকরা চোর চোর স্লোগান দেন।

রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে এই ধরণের ঘটনা ঘটেছে। তৃণমূল বিধায়ক জয়দেব হালদারের বিরুদ্ধে চাকরি-দুর্নীতি ছাড়াও স্বজনপোষণের অভিযোগ তোলা হয়েছে। বিধায়ক ছেলে ছাড়াও নিজের ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের সরকারি চাকরি পাইয়ে দিয়েছেন পোস্টারে অভিযোগ করা হয়েছে। সোশাল মিডিয়াতেও এই পোস্টার ভাইরাল। ছেলের চাকরি খোয়ানো নিয়ে মন্তব্য এড়ালেও পোস্টারকাণ্ডে বিরোধীদেরই দায়ী করেছেন তৃণমূল বিধায়ক। দলের জেলা নেতৃত্বও তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছে। মন্দিরবাজারের বিধায়কের পদত্যাগের দাবি জানিয়েছে বিজেপি। তৃণমূলের সুন্দরবন সাংগঠনিক জেলার সভাপতি জয়দেব হালদার। সম্প্রতি আদালতের নির্দেশে চাকরি খুইয়েছেন তাঁর ছেলে সুদীপ। লিফলেটে অভিযোগ তোলা হয়েছে, আরেক ছেলে, শ্যালিকা, ভাগ্নি, ভাগ্নি জামাই, ২ ভাইপো, ভাইয়ের বউকেও প্রভাব খাটিয়ে চাকরি পাইয়ে দিয়েছেন বিধায়ক জয়দেব হালদার। তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে লিফলেট পড়তেই এনিয়ে কটাক্ষ ছুড়ে দিয়েছে বিরোধীরা।



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.