Voice of Eastern India

BJP News: ‘ডাকাতটাকে পুলিশমন্ত্রীর উপর ছেড়ে দিন, ঠিক করার দায়িত্ব আমার’, কাকে নিশানা শুভেন্দু অধিকারীর?


কলকাতা: বিধাননগর পুরনিগম নির্বাচনের আগে তৃণমূলকে বিঁধলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ফলতা বিধানসভাকেন্দ্রের প্রসঙ্গ টেনে, বিধাননগর পুরনিগমেও যাতে বিজেপি বিপুল ভোটে জয়ী হন সেই আবেদন জানান। আর সেই প্রসঙ্গেই জোড়াফুল শিবিরকে কটাক্ষ করেন তিনি। তৃণমূলকে ‘ছিন্নমূল’ বলে উল্লেখ করেন। ফলতার থেকেও যাতে করুণ অবস্থা হয় তাদের, তার জন্য জনগণকে আবেদন জানান। (Suvendu Adhikari)

বিজেপি-র আয়োজিত রক্তদান শিবির থেকে রবিবার এমন মন্তব্য করলেন শুভেন্দু। সেখানে একটি ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করতেও শোনা যায় তাঁকে। বলেন, “ফলতায় ছিন্নমূলের যে অবস্থা হয়েছে, আগামী বিএমসি নির্বাচনে যাতে তার চেয়েও করুণ অবস্থা হয়, আপনারা দেখবেন।” ফলতার জাহাঙ্গির খানের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “পুষ্পা ঝুকেগা নহি বলেছিল। ঝুঁকতে ঝুঁকতে পুষ্পা হারিয়ে গিয়েছে। এখানেও যে ডাকাতটা আছে, পুলিশমন্ত্রীর উপর ছেড়ে দিন। ডাকাতটাকে ঠিক করার দায়িত্ব আমার।” (BJP News)

আরও পড়ুন: শ্যামাপ্রসাদের সুউচ্চ মূর্তি তৈরি হবে রাজ্যে, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর, কত উঁচু, কোথায় বসবে?

এদিন শুভেন্দু জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল বেআইনি অনুপ্রবেশ। তাঁদের সরকার ক্ষমতায় আসার পর BSF-কে জমি দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। যে ৫৫৬ কিলোমিটার জায়গায় জমি দিতে হবে, তার মধ্যে ১০০ কিলোমিটার হ্য়ান্ডওভার করে দেওয়া হয়েছে। অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে শিলিগুড়ির চিকেন্স নেক অঞ্চল। পাশাপাশি, বেআইনি অনুপ্রবেশকারীদের ফেরত পাঠানোর কাজও শুরু হয়েছে বলে জানান। 

আরও পড়ুন: ‘গতকাল ট্রেলার দেখেছে সরকার…’, ৭ দিনে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ চায় ককরোচ জনতা পার্টি, বৃহত্তর আন্দোলনের ইঙ্গিত

এদিন শুভেন্দু বলেন, “CAA-র আওতায় যারা পড়েনি, সেই সব অনুপ্রবেশকারীদের ডিপোর্ট করার কাজ শুরু করেছি নিয়ম মেনে। ভারত সরকারের একটি আইন রয়েছে। সেই আইন অনুযায়ী, জেলে না পাঠিয়ে সরাসরি BSF-এর হাতে হ্যান্ডওভারের বিধান ছিল। অন্য রাজ্যে কার্যকর করা হয়েছিল। এখানে জামাই আদর করে জেলে পাঠানো হতো। আমাদের ভাত, কাপড়, ওষুধ খেত এরা। আরামে বসে থাকত ভিতরে। এবার একেবারে সরাসরি হোল্ডিং স্টেশন বানানো হয়েছে সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলিতে। ৪৮০০ জনতে ওপারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। হোল্ডিং সেন্টারে আমার হাতে রয়েছে ৮৩৬ জন। তাদেরকেও আমরা তাড়াতাড়ি খাইয়ে-পরিয়ে পাঠানোর ব্যবস্থা করব।”

শুভেন্দু জানিয়েছেন, ২৮ দিন হয়েছে তাঁর সরকার ক্ষমতায়। ইতিমধ্যেই একাধিক কাজ সম্পূর্ণ করে ফেলেছেন তাঁরা। শুভেন্দুর দাবি, ৩৪ বছরের বাম শাসন এবং ১৫ বছরে তৃণমূল সরকারের আমলে পশ্চিমবঙ্গ অনেকটা পিছিয়ে গিয়েছে। তাঁরা নতুন করে পশ্চিমবঙ্গকে গড়ে তুলবেন। আগামী ২২ জুন রাজ্য বাজেটেই মানুষের আশা-ভরসার প্রতিফল চোখে পড়বে বলেও জানিয়েছেন।



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.