Voice of Eastern India

Bidhannagar Mayor Resign: বিধাননগর পুরনিগমের মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তীর পদত্যাগ কী কারণে দেখালেন?


কলকাতা: কলকাতা পুরসভায় (KMC) একের পর এক পদত্যাগ চলছিল। আর এবার বিধাননগর পুরনিগমের মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তীর (Krishna Chakraborty) পদত্যাগ। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদ ছাড়লেন কৃষ্ণা চক্রবর্তী। বিধাননগর পুরনিগমের কমিশনারের কাছে পদত্যাগের চিঠি জমা দিয়েছেন কৃষ্ণা চক্রবর্তী। 

গতকাল ফিরহাদ হাকিম কলকাতার মেয়র পদ থেকে পদত্যাগ করতে পারেন, এমন জল্পনা চলছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই অনুমতি দিয়েছেন, কুণাল ঘোষ এমনটা দাবি করেছিলেন।  কিছুটা সময় নিজের জন্য দিতে চাই, পদত্যাগের পর প্রতিক্রিয়া কৃষ্ণা চক্রবর্তীর। কাউন্সিলর হিসেবে কাজ চালিয়ে যাব, প্রতিক্রিয়া কৃষ্ণা চক্রবর্তীর। 

বিধানসভা নির্বাচনের ফল বদলের পর থেকেই কলকাতায় পুরসভাতে ইতিমধ্যেই তৃণমূলে পদত্যাগে হিড়িক পড়েছে। একাধিক বরো চেয়ারম্যান থেকে কাউন্সিলর পদত্যাগ করেছেন। এই প্রেক্ষাপটেই এবার কৃষ্ণা চক্রবর্তী পদত্যাগ করলেন বিধাননগর পুরনিগমের মেয়র পদ থেকে। 

আরও পড়ুন, পঞ্চায়েতে বিরাট নিয়োগ ঘোষণা, শুরু হবে ১০০ দিনের কাজ, দিলীপ ঘোষ জানালেন আগামীর ব্লু প্রিন্ট

পুর নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের কাছে এই চিঠির কপি পাঠিয়েছেন তিনি। পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের আধিকারিকের কাছেও গেছে পদত্যাগের চিঠির কপি পাঠিয়েছেন। 

এদিকে গতকালই ফিরহাদ হাকিমের মেয়র নিয়ে জল্পনা ছিল। মেয়র পদ ছাড়তে ফিরহাদকে সম্মতি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।  ‘অনেকদিন ধরেই অনুমতি চাইছিলেন ববি। বলছিলেন পুরসভায় কাজ করা যাচ্ছে না’, মমতার বাড়িতে বৈঠকের পরে দাবি করেছিলেন কুণাল ঘোষ।                                                         

যদিও সূত্রের খবর, ‘আমি মেয়র পদে ইস্তফা দিইনি। ঘনিষ্ঠ মহলে জানিয়েছেন ফিরহাদ। এখনও চেয়ারপার্সনের কাছে মেয়রের পদত্যাগপত্র জমা পড়েনি, খবর পুরসভা সূত্রে। 

প্রসঙ্গ পদত্যাগ

দিন দুয়েক আগে মেয়র পারিষদের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতা তারক সিং। সরাসরি নিশানা করেছিএলন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ফের নেতৃত্ব বদলের দাবিতে সরব হয়েছিলেন তারক সিং।                                                                             

ভোটে ভরাডুবির পর তৃণমূল কার্যত তাসের ঘরে পরিণত হয়েছে।  কেউ নেতৃত্বের পদত্যাগ চাইছেন। কেউ নিজেই পদত্যাগ করছেন। সরাসরি নিশানা করছেন দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে। উগরে দিচ্ছেন তীব্র ক্ষোভ।



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.