Voice of Eastern India

Amul: হাওড়ায় বিশ্বের সর্ববৃহৎ দই উৎপাদন কেন্দ্র তৈরি করছে আমূল, বিরাট বিনিয়োগ, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনে আসছেন শাহ


কলকাতা: রাজ্যে বিজেপি সরকার আসার পর শিল্প বাণিজ্য ক্ষেত্রে এবার বড় বিনিয়োগ আসছে। হাওড়ায় আমূল প্ল্যান্টের ভিত্তিপ্রস্তর হতে চলেছে। যা উদ্বোধনে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরে প্রথম প্ল্যান্টের ভিত্তিপ্রস্তর। 

জানা যাচ্ছে ১৪ জুন হাওড়ার সাঁকরাইলে আমূলের প্রস্তাবিত প্ল্যান্টের ভিত্তিপ্রস্তর। এই শনিবার নবান্নে আমূল ডেয়ারি কর্ণধারের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠক হয়। শনিবার গুজরাত কো-অপারেটিভ মিল্ক মার্কেটিং ফেডারেশনের MD-এর সঙ্গে বৈঠক হয়। ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠানে থাকবেন ৬০০ দুগ্ধচাষি, থাকবেন ২০০ বিশিষ্ট অতিথি। 

জানা গিয়েছে, ৬০০ কোটি টাকা প্রাথমিক বিনিয়োগ হয়েছে। বিশ্বের সর্ববৃহৎ দই উৎপাদন কেন্দ্র করা হবে এখানে। আমূলের তরফে জানান হয়েছে, ‘দুগ্ধজাত আরও অনেক দ্রব্য এখানে উৎপাদন করা হবে। মূল উৎপাদন হবে দইয়ের।’ 

শনিবারই নবান্নে বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘আজ নবান্নে গুজরাট কো-অপারেটিভ মিল্ক মার্কেটিং ফেডারেশন (GCMMF) এর সম্মানীয় ম্যানেজিং ডিরেক্টর শ্রী জয়েন মেহতা মহোদয় এবং কায়রা ডিস্ট্রিক্ট কো-অপারেটিভ মিল্ক প্রডিউসার্স ইউনিয়ন তথা আমূল ডেয়ারির কর্ণধার শ্রী অমিত ব্যাস মহোদয়ের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশগ্রহণ করলাম। আগামীদিনে পশ্চিমবঙ্গে আমূলের মতো বৃহৎ, স্বনামধন্য সংস্থার বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণ রাজ্যের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং দুগ্ধশিল্পের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গে সংস্থার সম্প্রসারণ, বিনিয়োগের সম্ভাবনা এবং দুগ্ধ খাতের উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। আলোচনা অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে এবং আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গ ও আমূলের পারস্পরিক সহযোগিতায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আমি আশাবাদী’।

কলকাতা থেকে মাত্র ২৫-৩৫ কিলোমিটার দূরত্বে ১৬ নম্বর জাতীয় সড়ক সংলগ্ন সাঁকরাইল ফুড পার্কে এই কারখানা গড়ে তোলা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, এই কারখানা থেকে ১০ লক্ষ কিলোগ্রাম দই, লস্যি, ঘোল উৎপাদন হবে বলে। নতুন কর্মসংস্থানের দিক থেকে আশাবাদী সাধারণ মানুষ। দুধ উৎপাদনে দেশে সর্বোচ্চ স্থানে আমূল। ১৯৪৬ সালে আনন্দ মিল্ক ইউনিয়ন লিমিটেড (AMUL)। কোম্পানির হাত ধরে দেশের বড় অংশের গোয়ালারা উপকৃত হচ্ছে। নতুন প্রজেক্টের মাধ্যমে হাওড়া জেলায় বড় কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে বলেই আশাবাদী।                                                           





Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.