Voice of Eastern India

Suvendu Adhikari: ‘আগামী লোকসভা ভোটে পশ্চিমবঙ্গের সব আসন মোদিজিকে দেব’, ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য় মুখ্যমন্ত্রীর, পাল্টা আক্রমণ বিরোধীদের


কলকাতা: ১৯৫০ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর গুজরাতের ভডনগরে জন্মেছিলেন নরেন্দ্র মোদি। ২০০১ সালের ৭ অক্টোবর সেই রাজ্য়ের মুখ্য়মন্ত্রী হয়েছিলেন তিনি। তারপর ২০১৪ সাল থেকে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলাচ্ছেন তিনি। বুধবার, ভডনগরেই প্রশাসক হিসেবে নরেন্দ্র মোদির ২৫ বছর পূর্তির অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। গুজরাতে বিজেপির অনুষ্ঠানে যোগ দেন শুভেন্দু অধিকারী। যেখানে অন্য়তম বক্তা ছিলেন এরাজ্য়ের মুখ্য়মন্ত্রী। আর সেই সভা থেকেই আসন্ন লোকসভা ভোট নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য় শোনা গেল তাঁর মুখে। তিনি বললেন, আমি আপনাদের কথা দিচ্ছি, সামনের লোকসভা ভোটে, মোদিজির নেতৃত্বে আমরা পশ্চিমবঙ্গে সব আসন মোদিজিকে দেওয়ার কাজ করব। পাল্টা আক্রমণ শানিয়েছে বিরোধী শিবির।

প্রশাসক হিসেবে নরেন্দ্র মোদির ২৫ বছর পূর্তি। সেই উপলক্ষ্য়ে বুধবার, নরেন্দ্র মোদির রাজ্য় গুজরাতে সেবাযাত্রার অনুষ্ঠানে যোগ দেন, মুখ্য়মন্ত্রী শুভেনদু অধিকারী। এবছর পশ্চিমবঙ্গে প্রথম বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এসেছে। বুধবার ২০২৯ সালের লোকসভা ভোট নিয়েও ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য় করেন শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি, রাজ্যের পূর্বতন সরকারে থাকা দলগুলোকেও একহাত নিলেন তিনি। শুভেন্দু অধিকারী জানান, ”৫০ বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গে যে সরকার ছিল, প্রথমে কমিউনিস্ট, তারপর তৃণমূল কংগ্রেস, যাদের তো নাম ও চিহ্নই মুছে গেছে, আপনারা জানেন। তারা ২ দল মিলে, শুধু পশ্চিমবঙ্গকে ধ্বংসই করেনি, দেশের সুরক্ষাকেও বিপদের মধ্য়ে ফেলেছে। আমি আপনাদের কথা দিচ্ছি, সামনের লোকসভা ভোটে, মোদিজির নেতৃত্বে আমরা পশ্চিমবঙ্গে সব আসন মোদিজিকে দেওয়ার কাজ করব।” মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ”পশ্চিমবঙ্গে তুষ্টিকরণের রাজনীতি হত। দুর্গাপুজো করার জন্য় কোর্টে যেতে হত। রামনবমীর অনুমতি মিলত না। বাংলাকে ধ্বংস করার কাজ ওরা করেছে। যদি মোদিজি না থাকতেন, পশ্চিমবঙ্গের যে হাল হয়েছিল, তা থেকে বাঁচানো মুশকিল ছিল। এই কারণে আমি কোটি কোটি প্রণাম মোদিজিকে আজ ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ২৫ সাল পূরণের দিন, প্রণাম জানাচ্ছি।”

এই মন্তব্যকে হাতিয়ার করে পাল্টা আক্রমণ শানিয়েছে বিরোধীরাও। মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, ”গোটা দেশকে সর্বনাশের মুখে নিয়ে গেছেন সামাজিকভাবে। ধর্মের নামে ভেদাভেদ করেছেন। আর্থিকভাবে সর্বনাশ করেছেন। পরের লোকসভা নির্বাচন দেশের মানুষ, যারা সত্য়িই কাজ করবে, তাদেরকেই দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দেবে।”

ISF-এর বিধায়ক নৌশাদ সিদ্দিকি বলেন, ”উনি জানান, বিদেশ সফরে কত টাকা খরচা হয়েছে। বিতর্ক আছে তার জামা বদল নিয়ে। আগামীদিনে ওনার চিন্তাভাবনা এক দেশ, এক ধর্ম, এক দল। গণতান্ত্রিক চিন্তাভাবনা থাকবে না। উনি একাই রাজা। ২৫ বছরে কতবার মিডিয়ার সামনে এসে ওনার ঠিক-ভুল নিয়ে কথা বলেছেন। ডামাডোলের ব্যাপার ধামাচাপা দিতে এই সব হচ্ছে।” 



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.