Voice of Eastern India

কেঁদে ভাসালেন হুমায়ুন, বললেন রাজনীতি ছাড়ার কথা, নওশাদ বলছেন, ‘একজন রাজনীতিবিদকে অন ক্যামেরা…’


কলকাতা : রেজিনগরে উপনির্বাচন হয়েছে ৬ অক্টোবর। সেদিন পুলিশের সঙ্গে অত্যন্ত অশালীন, অভব্য আচরণ করতে দেখা গিয়েছে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির নেতা এবং নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে। তাঁকে আটকও করেছিল পুলিশ। আর এই ঘটনার পরের দিন ৭ অক্টোবর কেঁদে ভাসালেন হুমায়ুন কবীর, জানালেন, রাজনীতি ছেড়ে দেবেন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিধানসভায় থাকলে তিনি যাবেন না, এমন কথাও বলেছেন হুমায়ুন কবীর।

এই পুরো ঘটনাক্রম প্রসঙ্গে আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি কী বলেছেন ? 

নওশাদের কথায়, ‘বিগত দিনে অনেকসময় আমরা দেখেছি যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফ্লোরে এলে, বিজেপি বয়কট করত। হয়তো সেই পথের পথিক হচ্ছে হুমায়ুনবাবু। তবে একটা বিষয় হচ্ছে… দেখলাম যে অনেকটাই আবেগপ্রবণ হয়ে হুমায়ুন কবীর বক্তব্য দিয়েছেন, অশ্রু ঝরছিল… এটা যদি সিরিয়াস কিছু হয়ে থাকে তাহলে সেটা আমাদের জন্য খারাপ। বিগত দিনে হুমায়ুনবাবু যে মন্তব্য করেছেন… মুখ্যমন্ত্রীর মৃত্যু কামনা… আমি চরম বিরোধিতা করেছি। কিন্তু একটা বিষয় থেকে যাচ্ছে যে, একজন রাজনীতিবিদকে অন ক্যামেরা এভাবে স্বেচ্ছাবসর নিতে হচ্ছে কেন ? তাহলে শাসক কোন ফ্যাসিস্ট জায়গায় পৌঁছেছে সেটাও বিবেচনা করা দরকার। শাসকের সঙ্গে মতবিরোধ, মতানৈক্য হচ্ছে বলে কাউকে এমন জায়গায় পৌঁছে দেওয়া উচিত নয় যে, তাঁর সম্মানহানি হবে। গতকাল আমরা দেখেছি যে… হুমায়ুন কবীরের বেশ কিছু বক্তব্য আপত্তিকর ছিল, তার তীব্র বিরোধিতা করেছি। কিন্তু তাঁকে যেভাবে টেনে হিঁচড়ে পুলিশ গাড়িতে তোলা হল, একজন জনপ্রতিনিধিকে, আইনসভার সদস্যকে এভাবে তোলাটা কোনওভাবেই কাঙ্খিত নয়।’ 

‘ওর সত্যি ভাবা উচিত বিধানসভায় আর আসবে কিনা, কারণ এলে…’, হুমায়ুনকে হুঁশিয়ারি সজলের 

মাত্র ২৪ ঘণ্টা আগেই পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি করতে দেখা গেছিল তাঁকে। দিয়েছিলেন মুগুরের দাওয়াই। কিন্তু একদিনেই বদলে গেল পরিস্থিতি। কেঁদে ভাসালেন আমজনতা উন্নয়ন পার্টির সভাপতি ও নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। আর এই প্রেক্ষাপটে ফের একবার সামনে চলে এসেছে অতীতে তাঁর দেওয়া একাধিক হুমকি হুঁশিয়ারি ও বেলাগাম মন্তব্য। ক’দিন আগে অবধিও তাঁর গরমাগরম মন্তব্য়ে সরগরম ছিল রাজ্য় রাজনীতি। হুমায়ুন কবীর মুখ খোলা মানেই ছিল হুমকি, হুঁশিয়ারি, বিতর্ক। রেজিনগরে উপনির্বাচনের একদিন পর এখন তিনিই কেঁদে ভাসাচ্ছেন। এতদিন হুমায়ুন কবীর মানেই ছিল বেলাগাম। হুমকি, হুঁশিয়ারি দিতে তিনি কোনওদিনই পিছপা হন না। এবার তাঁর মুখেই শোনা গিয়েছে রাজনীতি ছেড়ে দেওয়ার কথা। 



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.