Har Ghar Tiranga: পশ্চিমবঙ্গেও ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচি, কেন এই উদ্যোগ ? কী জানালেন মুখ্যমন্ত্রী ও শিল্পমন্ত্রী ?
কলকাতা: স্বাধীনতা দিবসের আগে শুক্রবার ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচির সূচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এই প্রথম প্রধানমন্ত্রীর ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচিতে সামিল হল বাংলায়। আলিপুর সার্ভে বিল্ডিং থেকে হাজরা মোড় পর্যন্ত মিছিলে হাঁটলেন তিনি। সঙ্গ দিলেন রাজ্যের মন্ত্রী ও বিজেপি কর্মীরা। রাজ্য সরকারের তরফে সোমবার রেড রোডে মূল কর্মসূচির আয়োজন করা হবে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী। স্বাধীনতা দিবসের আগে হর ঘর তিরঙ্গা কর্মসূচিতে ৭০ লক্ষ জাতীয় পতাকা বিলি করবে রাজ্য সরকার। পাশাপাশি জেলায় জেলায় আয়োজন করা হবে তিরঙ্গা যাত্রা। কেবল মিছিল বা গৃহস্থালিতে পতাকা উত্তোলনেই থেমে থাকবে না এই কর্মসূচি। রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি ভবন, ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্য, ঐতিহাসিক নিদর্শন এবং সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় পতাকার তিন রঙের আলোকসজ্জায় সাজিয়ে তুলতে নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
এই প্রথম প্রধানমন্ত্রীর ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচিতে সামিল হল পশ্চিমবঙ্গ। বৃহস্পতিবার নবান্ন সভাঘর থেকে ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। আর শুক্রবার তিনি পা মেলালেন তিরঙ্গা যাত্রায়। আলিপুর সার্ভে বিল্ডিং থেকে হাজরা মোড় পর্যন্ত মিছিল করলেন মন্ত্রী তাপস রায়, দীপক বর্মনরাও। হাতে হাতে জাতীয় পতাকা, নেতাজির ছবি, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ছবি, কাটআউট। সব মিলিয়ে এই তিরঙ্গা যাত্রা থেকে জাতীয়তাবাদের আবেগে ভাসল শহর কলকাতা। পশ্চিমবঙ্গে হর ঘর তিরঙ্গার মূল কর্মসূচি সোমবার। ওই দিন ধর্মতলার নেতাজি মূর্তি থেকে বিড়লা তারামণ্ডল পর্যন্ত তিরঙ্গা যাত্রায় অংশ নেবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেনদু অধিকারী। তার আগে শুক্রবার নিজের বিধানসভা এলাকা থেকে হর ঘর তিরঙ্গা কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করলেন তিনি।
আরও পড়ুন – ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচির প্রভাব! পতাকার চাহিদা তুঙ্গে, কারখানায় রাতজেগে চলছে কাজ
এই কর্মসূচি নিয়ে বাংলার মানুষদের উদ্দেশে বিশেষ বার্তা দেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, ”এবার প্রথম জনতা জনার্দনের আশীর্বাদ নিয়ে এখানে একটি রাষ্ট্রবাদী সরকার আপনারা তৈরি করেছেন। এই সরকার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজির ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচিতে যুক্ত হয়েছে এবং আজ (শুক্রবার) তার সূচনা হল।”
কেন এই কর্মসূচি, এই বিষয়ে জানান রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়। তিনি বলেন, ”ভারতীয়ত্ব বোধ, রাষ্ট্রবাদী শক্তি, জাতীয়তাবাদী শক্তি এবং দেশবিরোধী যে চক্রান্ত এবং উস্কানিমূলক, প্ররোচনামূলক যে সমস্ত কাজকর্ম চলছে, তারই জন্য ঘর ঘর তিরঙ্গা কর্মসূচি।”
