Voice of Eastern India

TMC Sushanta Ghosh: ‘যাঁর নেতৃত্বে আক্রমণ, তাঁকেই দলের পদ দেওয়া হয়েছিল’, পদত্যাগের পরই নিজের উপর হওয়া হামলা নিয়ে সরব সুশান্ত ঘোষ


ভোটে হারার এক মাসও পেরোয়নি। তার মধ্যেই কার্যত ছন্নছাড়া গোটা তৃণমূল। দলের বিরুদ্ধেই ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন সাংসদ, বিধায়ক, কাউন্সিলরার। বিভিন্ন পুরসভায় গণইস্তফার হিড়িক পড়ে গিয়েছে। এর মধ্যেই বরো চেয়ারম্যানের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন সুশান্ত ঘোষ। ২০২৪ সালে এই সুশান্ত ঘোষের উপরেই হামলা হয়েছিল, একেবারে তাঁর বাড়ির সামনে। অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান তিনি। পদত্যাগের পর এবার নিজের উপর হওয়া হামলা প্রসঙ্গে মারাত্মক অভিযোগ করেছেন সুশান্ত। যাঁর নেতৃত্বে আক্রমণ তাঁকেই দলের পদ দেওয়া হয়েছিল। ২০২৪ সালে তাঁর উপর হামলার প্রসঙ্গ টেনে বিস্ফোরক দাবি করলেন তৃণমূল কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষ। নতুন মুখ্যমন্ত্রীকে তিনি অনুরোধ করেছেন, যাতে প্রকৃত দোষীকে খুঁজে বার করা হয়। 

একদম সামনে থেকে গুলি করার চেষ্টা ! কিন্তু বেরোয়নি গুলি ! অল্পের জন্য় বেঁচেছিল প্রাণ ! দু’বছর বাদে সেই প্রসঙ্গই টেনে বিস্ফোরক দাবি করলেন কলকাতা পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষ। তিনি বলছেন, ‘আমার ওপর যে আক্রমণ হয়েছিল, তার নেতৃত্বে যে ছিল, পরবর্তীকালে তাঁকে দলীয় পদ পাইয়ে দেওয়া হয়েছিল।’ 

বিধানসভা ভোটে বিপুল বিপর্যয়ের পর তৃণমূল পরিচালিত পুরসভাগুলিতেও শুরু হয়েছে ডামাডোল ! বুধবার বোরো চেয়ারম্যানের পদ থেকে ইস্তফা দিলেন তৃণমূল কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষ। পদত্যাগের পর দলেরই একাংশের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলেছেন তিনি। সুশান্ত ঘোষ বলেছেন, ‘আমার সরকার, আমি দলের একটা পদাধিকারী আছি, বরো চেয়ারম্য়ান আছি, কিন্তু কোথাও গিয়ে আমার মনে হয়েছিল, তদন্তটা ঠিকঠাক করে হয়নি। তৎকালীন পুলিশ আধিকারিকরা যে তত্ত্ব সামনে খাড়া করেছিল, প্রধান যে অভিযুক্ত সে দুবাইয়ে পালিয়ে গেছে। আজকে নতুন মুখ্য়মন্ত্রী এসেছেন, তাঁর কাছে অনুরোধ করব, প্রকৃত তদন্ত করে, যদি প্রকৃত দোষীকে খুঁজে পাওয়া যায়, তাহলে তাঁর কাছে আমি কৃতজ্ঞ থাকব।’ 

২০২৪-এর ১৫ নভেম্বর। ভর সন্ধেয় অ্য়াক্রোপলিস মলের কাছে বাড়ির সামনে, সুশান্ত ঘোষকে একেবারে সামনে থেকে গুলি করার চেষ্টা করে এক দুষ্কৃতী। কিন্তু, আগ্নেয়াস্ত্র আটকে যাওয়ায় গুলি বেরোয়নি, অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান কাউন্সিলর। পুলিশ সূত্রে দাবি করা হয়, বিহারের কুখ্যাত পাপপু চৌধুরী গ্যাংয়ের সদস্য মহম্মদ আদিল হোসেনই খুনের ছক কষে। অভিযুক্ত ট্যাক্সি চালক, হামলাকারী এবং মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করলেও আদিল গা ঢাকা দেয়। ঘটনার প্রায় দু মাস পর তাঁকে পাকড়াও করে পুলিশ। যদিও প্রমাণের অভাবে কলকাতা হাইকোর্ট থেকে সহজেই জামিন পেয়ে যান আদিল। সদ্য় পদত্য়াগী বরো চেয়ারম্য়ান ও কলকাতা পুরসভার ১০৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষ বলছেন, ‘এটা আমার পক্ষে জানা অত্য়ন্ত জরুরি, যে ঘটনাটা ঘটেছিল, সেটা আমার মশারির ভিতরেই হয়েছিল, না ঘরের বাইরে হয়েছিল এটা জানাটা খুব জরুরি।’ 



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.