Suvendu Adhikari: শ্যাম স্টিলের ভূমি পুজোয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্যে আরও এক নতুন কারখানার শিল্পের ভিত্তিস্থাপন
হুগলির ডানকুনির পর এবার বাঁকুড়ার মেজিয়ায় ভারী শিল্পের সূচনা। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে মেজিয়ায় শ্যাম স্টিলের কারখানার নতুন ইউনিটের ভিত্তিপ্রস্তর। বাঁকুড়ার মেজিয়ায় ভারী শিল্পের সূচনা। শ্যাম স্টিলের কারখানার নতুন ইউনিটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন। সেই অনুষ্ঠান থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘শ্রমিকদের আমার কুর্নিশ, প্রচুর মানুষের কর্মসংস্থান হবে। বাংলার আর্থিক উন্নতি হবে। মেজিয়ায় ২০ হাজার কর্মসংস্থানের ভাবনা’। ‘আগের সরকারের আমলে সিন্ডিকেটরাজ, গুন্ডামি চলত। ‘প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে এখানে আসতে বলবো’। ‘উনি এখানে এসে দেখে যান’। ‘আপনার হাতে তো এখন অনেক সময়, দেখে যান’। ‘এতদিন মাড়োয়ারি, গুজরাতিদের বহিরাগত বলতেন’। ‘বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে বলে বাংলার মানুষ বেঁচে আছেন’। ‘TMC মানেই ছিল সিন্ডিকেটরাজ, গুন্ডামি, তোলাবাজি’। ‘গুন্ডা ট্যাক্সে জেরবার ছিল গোটা পশ্চিমবঙ্গ’। শ্যাম স্টিলের কারখানার অনুষ্ঠানে গিয়ে মমতাকে খোঁচা মুখ্যমন্ত্রীর। ‘তৃণমূল গিয়েছে, বাংলা-বাঙালি বেঁচেছে’। ‘সরকারের বদল না হলে শ্যাম স্টিল ওড়িশায় চলে যেত’। ‘বিমুখ শিল্পপতিরা আবার বাংলায় ফিরছেন’। ‘এটা সবে শুরু হল, বিকাশের জন্য কাজ করবে বিজেপি সরকার’। ‘আগের সরকারের আমলে কোনও কাজ করতে গেলে তোলা দিতে হত’। ‘বাংলায় আরও শিল্প হবে, আদানিও বাংলায় বিনিয়োগে আগ্রহী’। ‘নিউটাউনে হাসপাতাল করবে আদানি’। ‘সঞ্জীব গোয়েঙ্কার সঙ্গেও বৈঠক করেছি’। ‘কারখানা ভাঙলে সব বেচে উসুল করবো’। ‘কারখানার গেটে তালা দিলে জেল হবে’। ‘বাংলায় কোনও সিন্ডিকেটরাজ, গুন্ডারাজ চলবে না’। ‘পশ্চিমবঙ্গে গুন্ডাদমন আইন এনেছি, তাই কোনও গুন্ডাগিরি বরদাস্ত নয়’।
