শ্যামবাজারে নেতাজি মূর্তিতে মালা দিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, গাইলেন জাতীয় সঙ্গীতও
শ্যামবাজার, কলকাতা: শ্যামবাজারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে নেতাজির মূর্তিতে মাল্যদান করবেন তিনি। ‘কালীঘাট তৃণমূল’ -এর তরফে অভিযোগ, নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুকে অপমান করছে বিজেপি। আর তার প্রতিবাদেই নেতাজির মূর্তিতে মালা দিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও রয়েছেন কালীঘাট তৃণমূলের সাংসদ; দোলা সেন ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। রয়েছেন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষও।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমরা ধিক্কার জানাই যারা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, সুভাষ চন্দ্র বসু, স্বামী বিবেকানন্দকে প্রতিদিন, প্রতি মুহূর্তে অপমান করে চলেছেন। তাই তাঁদের এই অসম্মানের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে, নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর গলায় মালা দিতে এখানে এসেছি। আজ ১১ অগস্ট, শহিদ ক্ষুদিরাম বসুর জন্মদিন।” তারপর জাতীর উদ্দেশ্যে দেশাত্মবোধক গানে গলা মেলান ওখানে উপস্থিত সকল তৃণমূল নেতা, নেত্রীরা।
এরপর কথা বলতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় “গান্ধীবাদ, সুভাষবাদ, জিন্দাবাদ, জিন্দাবাদ” স্লোগান দেন। তারপর তিনি বলেন, “নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুকে আমরা দেশনায়ক বলি। আর বিজেপির লোকজন সুভাষ চন্দ্র বসুর নামে গালিগালাজ করছে, অসম্মান করছে। আমরা ধিক্কার জানাই। এই কারণেই সুভাষ চন্দ্র বসুর মূর্তিকে আমরা প্রণাম করতে এসেছি। জয় হিন্দ স্লোগানও আমরা দিয়েছি। আমাদের যত মণীষী রয়েছেন তাঁদের জন্য আমরা লড়াই করব। তাঁরাই আমাদের দেশের জন্য প্রাণ দিয়েছেন।
নেতাজিকে অপমানের প্রতিবাদে শ্যামবাজারের কর্মসূচিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দোলা সেন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষ ও বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় সহ ‘কালীঘাট তৃণমূল’ -এর একাধিক নেতৃত্ব উপস্থিতি ছিলেন। সব শেষে জাতীয় সঙ্গীত গেয়ে এই অনুষ্ঠান শেষ করেন তিনি।
পাল্টা পর্যটনমন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ এই পরিপ্রেক্ষিতে বলেন, “প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পুরো বাংলা ও বাঙালিকে রাস্তায় বসিয়ে তিনি যে সম্মান দিয়েছেন, আজ নতুন করে তিনি কী বলছেন সেটা শোনার জন্য বাংলা একেবারেই আগ্রহী নয়। ফলে নেতাজি সম্পর্কে তাঁর উক্তি এই সময় চর্চার মধ্যে কোনও প্রাসঙ্গিকতা রাখে।”
