নির্ধারিত সময়ের আগেই থানায় হাজিরা হুমায়ুন কবীরের, প্রকাশ্য সভায় উস্কানিমূলক মন্তব্যের জেরেই তলব AJUP বিধায়ককে
পার্থপ্রতিম ঘোষ, মুর্শিদাবাদ : নির্ধারিত সময়ের আগেই রেজিনগর থানায় এলেন হুমায়ুন কবীর। সকাল সাড়ে ১১টায় তলব করা হয়েছিল আম জনতা উন্নয়ন পার্টির বিধায়ককে। রেজিনগরের কাশীপুরে এক সভায় উস্কানিমূলক মন্তব্য মামলায় তলব করা হয়েছে হুমায়ুনকে। প্রকাশ্যে শক্তিপুর থানার ওসি-র উদ্দেশে হুঁশিয়ারি দেওয়ার মামলায় কাল হাজিরা দেননি হুমায়ুন। গতকাল হাজিরা না দেওয়ায় পুলিশ হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে কী কোনও পদক্ষেপ করবে? সেটাই এখন দেখার।
আজ ৪ জুলাই শনিবার রেজিনগর থানায় হুমায়ুন কবীরকে হাজির হতে বলা হয়েছিল। সকাল সাড়ে ১১টায় তলব করা হয় আম জনতা উন্নয়ন পার্টির বিধায়ককে। কাশীপুরে সভায় তিনি বলেছিলেন আমি যেদিন ময়দানে মুসলমানদের নিয়ে নেমে যাব না, সেদিন এমন স্য়াঁটা ভাঙা মার শুরু করব, যে আপনাদের পতাকা বহন করার লোক থাকবে না। এরপরে গত মঙ্গলবার সকালে তাঁর বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে তলব করে নোটিস দেওয়া হয়। অন্যদিকে প্রকাশ্যে শক্তিপুর থানার ওসি-র উদ্দেশে হুঁশিয়ারি দেওয়ার মামলায় কাল শক্তিপুর থানায় তলব করা হয় হুমায়ুন কবীরকে কিন্তু হাজিরা দেননি তিনি। কাল হাজিরা না দেওয়ায় পুলিশ হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করবে সেটাই দেখার।
আজ নির্ধারিত সময়ের ৫ মিনিট আগে থানায় যাব বলে জানান হুমায়ুন কবীর। ‘আমার নামে অনেকগুলো কেস হয়েছে। আমি ডিজিপিকে চিঠি দিয়েছি, কোথায় কী কেস আছে জানতে। আশা করছি আজ উত্তর পাব। গ্রেফতারির আশঙ্কা না করলেও পুলিশের উপর ভরসা রাখছি না’, হাজিরা দেওয়ার আগে প্রতিক্রিয়া হুমায়ুন কবীরের।
কী বলেছিলেন হুমায়ুন কবীর
হুমায়ুন কবীর বলেছিলেন, ‘আমি যেদিন ময়দানে মুসলমানদের নিয়ে নেমে যাব না, সেদিন এমন সাটা ভাঙা মার শুরু করব, যে আপনাদের পতাকা বহন করার লোক থাকবে না।’ প্রকাশ্য মঞ্চ থেকে বিজেপিকে এই ভাষাতেই হুঁশিয়ারি দেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারপার্সন ও বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। তিনি আরও বলেন, ‘ভরতপুরে অনামিকা ঘোষ, সে ভোটে হেরেও সেখানে গিয়ে মনে করছে আমিই বিধায়ক। আমি শুভেন্দু অধিকারীকে সেদিন বলেছি, যে আপনি ভোটে জিতেছেন, আপনার দল জিতেছে, খুব ভাল কথা। কিন্তু মুর্শিদাবাদে আস্ফালনটা একটু কম করতে বলুন। কেস? ওরকম কেস আমাদের বহুবার জেল খাটা আছে। আমি বলেছি, আমার লিমিট যেদিন ক্রশ হয়ে যায় না, আর মাথা যেদিন টাওয়ার গরম হয়ে যায়, সেদিন আমি ও SP-ও বুঝব না, ও মুখ্যমন্ত্রীও বুঝব না, আর কে কোথায় থাকল আর কে কোথায় থাকল না, ওসব কিছু বুঝব না।’
Sebaashroy : স্বাস্থ্যসাথীর টাকা ‘হাতাতে’ সেবাশ্রয়ের রোগীদের পাঠানো হত বেসরকারি হাসপাতালে!
