Weather Update: কমলা-হলুদ পেরিয়ে লাল সতর্কতা, সুস্পষ্ট নিম্নচাপ, ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস রাজ্যজুড়ে, কী বলছে IMD ?
কলকাতা: ভারী বর্ষণে বিপর্যস্ত দেশের একাধিক জায়গায়। তারই মাঝে দুর্যোগের চোখ রাঙানি এবার পশ্চিমবঙ্গেও। আকাশে মেঘের ঘনঘটা, ফের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের লাল সতর্কতা উত্তরবঙ্গে। সেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বর্ষণের হলুদ সতর্কতার আওতায় রয়েছে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলা।
আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, সমুদ্রপৃষ্ঠের গড়স্তরে অবস্থিত মৌসুমি অক্ষরেখা বর্তমানে, দক্ষিণ পশ্চিম রাজস্থান থেকে পূর্ব মধ্যপ্রদেশ, উত্তর ছত্তিশগড়, ঝাড়খণ্ড এবং গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উপর অবস্থিত, সুস্পষ্ট নিম্নচাপ এলাকার, কেন্দ্র অতিক্রম করে, বাংলাদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। উত্তর পূর্ব আরব সাগর থেকে পূর্ব মধ্যপ্রদেশ, উত্তর ছত্তিশগড়, ঝাড়খণ্ড ও গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উপর অবস্থিত, সুস্পষ্ট নিম্নচাপ এলাকার কেন্দ্র অতিক্রম করে, বাংলাদেশ পর্যন্ত একটি অক্ষরেখা, বিস্তৃত রয়েছে। এবং এটি গড় সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৭.৬ কিমি উচ্চতা পর্যন্ত প্রসারিত।
আইএমডি সূূত্রে খবর, আজ ও আগামীকাল হলুদ সতর্কতা জারি হয়েছে দক্ষিণবঙ্গে। আজ দুই ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বর্ষণের হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আগামীকালও থাকছে হলুদ সতর্কতা। মূলত বজ্রবিদ্যুৎ সহ বর্ষণের এই হলুদ সতর্কতা থাকছে, দুই ২৪ পরগনা, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, বীরভূমে। এই হলুদ সতর্কতা থাকছে মূলত টানা ১৩ জুলাই অবধি। মৎস্যজীবীদের জন্যও লাল সতর্কতা জারি করেছে হাওয়া অফিস। ৩৫ থেকে ৪৫ কিমি বেগে প্রতি ঘণ্টায় বয়ে যেতে পারে ঝোড়ো হাওয়া। এমনকি বেগে পৌঁছতে পারে ৫৫ কিমি প্রতি ঘণ্টাতেও।
উত্তরবঙ্গে আগামীকাল লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সেই সঙ্গেই রয়েছে কমলা, হলুদ সতর্কতাও। উত্তরবঙ্গের প্রধানত, দার্জিলিং-জলপাইগুড়ি-আলিপুরদুয়ারে ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণের লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। যা প্রায় ৭ থেকে ২০ সেমি পর্যন্ত হতে পারে। পাশাপাশি কমল সতর্কতা জারি হয়েছে, কালিম্পং ও কোচবিহারে। উত্তরবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতে ভারী বর্ষণের হলুদ সতর্কতা রয়েছে।
সদ্য মেঘভাঙা বৃষ্টিতে বন্যায় প্লাবিত হয়েছে অরুণাচল প্রদেশ। বন্যা ধসে একাধিক মৃত্যু ঘটনা ঘটেছে সেখানে। এবার রাতভর বর্ষণে আবার বিপর্যস্ত ওয়েনাড। ওয়েনাডে ভূমিধস নেমেছে। ইতিমধ্যেই জোরকদমে শুরু উদ্ধারকাজ। মূলত, মলপ্পুরম ও ওয়েনাডের সংযোগস্থলে একটি সুড়ঙ্গের কাজ চলছিল। কাল্লাদিতে মীনাক্ষী সেতুর নিরটবর্তী এলাকায় ধস নামে। ধস নামার সময় এলাকায় কাজ করছিলেন শ্রমিকরা। তড়িঘড়ি উদ্ধারকাজে স্থানীয় প্রশাসন। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ভয়াবহ ভূমিধসে বিধ্বস্ত হয়েছিল এই ওয়েনাড়ের একের পর এক গ্রাম। শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয় সেই দুর্যোগে।
Minakshi Mukherjee | পরপর পড়ল ডিম! শীতলকুচিতে গিয়ে হামলার মুখে মীনাক্ষী
