Voice of Eastern India

Taratala Building Collapse: তারাতলার গোডাউনের কাজে রোজ মিলত ১ হাজার টাকা ও খাবার, তবুও মেয়ের আবদারে সেদিন যাননি, প্রাণে বাঁচলেন উত্তর ২৪ পরগনার বাসিন্দা


সন্দীপ সরকার, কলকাতা: ৫ বছরের মেয়ের আবদার মেটাতে তারাতলায় নির্মিয়মাণ গোডাউনে কাজে যাননি উত্তর ২৪ পরগনার বাসিন্দা ধর্মেন্দ্র চৌধুরী। তাতেই প্রাণে বেঁচে গেছেন তিনি। 

আরও পড়ুন, বেজিংয়ে বহুতলে ধাক্কা মেরে টুকরো টুকরো হয়ে নীচে পড়ল বিমান, ক্ষয়ক্ষতি নিশ্চিত নয় এখনও

৫ বছরের মেয়ের আবদার মেটাতে গিয়েই প্রাণে বাঁচলেন তারাতলায় কর্মরত উত্তর ২৪ পরগনার বাসিন্দা ধর্মেন্দ্র চৌধুরী

ধর্মেন্দ্রর জায়গায় কাজে যান উত্তর ২৪ পরগনারই বাসিন্দা সন্দীপ পাণ্ডে ও সুমন কর্মকার। বিপর্যয়ের পরে সন্দীপ পাণ্ডে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি। সুমন কর্মকার এখনও নিখোঁজ। এমনিতে ঢালাইয়ের কাজে প্রতিদিন ৭০০ টাকা মেলে। আগেও একসঙ্গে অনেক জায়গায় কাজ করেছেন ধর্মেন্দ্র চৌধুরী, সন্দীপ পাণ্ডে ও সুমন কর্মকার।তারাতলায় নির্মিয়মাণ গোডাউনে কাজে এলে প্রতিদিন হাজার টাকা ও তিন বেলার খাবার মিলত। তবুও মেয়ের আবদার মেটাতে বাবা কাজে যাননি। এখন বন্ধুকে দেখতে হাসপাতালে আসতে হয়েছে ধর্মেন্দ্র চৌধুরীকে। আরেক বন্ধুর খোঁজ মেলার জন্য প্রার্থনা করছেন তিনি।

 ভেঙে পড়া লোহার বিমের নীচে এখনও কি কেউ চাপা পড়ে আছে? আকাশে ড্রোন উড়িয়ে চলছে খোঁজ

বুধবার দুপুরে ভয়াবহ বিপর্যয়ের পর পেরিয়ে গেছে ২-২টো দিন।ভেঙে পড়া লোহার বিমের নীচে এখনও কি কেউ চাপা পড়ে আছে? আকাশে ড্রোন উড়িয়ে চলছে খোঁজ। ভিক্টিম লোকেটিং ক্যামেরা নিয়ে ধ্বংসস্তূপের তলায় ঢুকেও করা হচ্ছে তল্লাশি। ৩টে জোনে ভাগ করেছেন তাঁরা এই এলাকা। ছোট করে ড্রিল করে ভিতরে ঢুকছেন ভিক্টিম লোকেটিং ক্যামেরা নিয়ে। কোথাও কোনও প্রাণের হদিশ আছে কিনা। গতকালও কিন্তু এভাবে ৪জনকে উদ্ধার করা হয়েছিল।সেভাবেই আজও চলছে খোঁজ।একনাগাড়ে উদ্ধারকাজ করে চলেছে NDRF, সেনাবাহিনী, পুলিশ ও দমকল। গ্রাউন্ড জিরোকে ৩টি নির্দিষ্ট জোনে ভাগ করে চলছে উদ্ধারকাজ। 

কী বললেন মুখ্য়মন্ত্রী  শুভেন্দু অধিকারী ? “তারাতলার ঘটনায় আপনারা জানেন, এখনও উদ্ধারকাজ চলছে”
 
মুখ্য়মন্ত্রী  শুভেন্দু অধিকারী বলেন, তারাতলার ঘটনায় আপনারা জানেন, এখনও উদ্ধারকাজ চলছে। NDRF লিড করছে, তাকে বাকি সবাই সাহায্য় করছে। তারা তাদের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। দুটো জায়গা পরিষ্কার করতে পেরেছে NDRF. তারা আশাবাদী, যদি আবহাওয়া ঠিকঠাক থাকে, তাহলে আজকে রাতের মধ্য়ে তারা কমপ্লিট করতে পারবে পুরো রেসকিউ, যা আছে আমাদের, যা চলছে। NDRF-এর তরফে জানানো হয়েছে, ধ্বংসস্তূপের নীচে কেউ আটকে নেই এই ব্যাপারটা পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়ার পরেই, লোহার বিম কাটতে ব্যবহার করা হবে রেলের থেকে আনা অক্সিকাটিং সেট ও প্লাজমা কাটিং মেশিন।
 

 



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.