ABP Ananda LIVE | এই রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্য়ে কী বলছে একুশে জুলাইয়ে শহিদদের পরিবার।২১ জুলাইয়ের ঠিক আগে মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের আমলে তৈরি কমিশনের রিপোর্ট সামনে এনেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিধানসভায় দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, কমিশন মৃতদের পরিবারকে ২৫ লক্ষ করে টাকা আর আহতদের ৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার সুপারিশ করছে। আপনারা মৃতদের দিয়েছেন ২ লক্ষ করে টাকা, আর আহতদের দিয়েছেন ১৫ হাজার করে টাকা? মুখ্যমন্ত্রীর রিলিফ ফান্ড থেকে আমি সেই ক্ষতিপূরণ দেব।পাশাপাশি নিহতদের পরিবারের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আপনারা যদি ফ্রেশ FIR করতে চান, সে সুযোগ বর্তমান সরকার দেবে। কমিশনের রিপোর্ট সামনে আসতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন নিহতদের পরিবারের সদস্যরা।
২১ জুলাইয়ের ঠিক আগে ব্য়াপক অস্বস্তিতে পড়লেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়! যে ২১ জুলাই পুলিশের গুলিতে যুব কংগ্রেস কর্মীদের মৃত্য়ু নিয়ে প্রায় তিন দশক ধরে সিপিএম সরকারকে দুষেছেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়, সেই তিনিই কেন, তাঁর তৈরি কমিশনের রিপোর্টই বিধানসভায় পেশ করেননি, সেই প্রশ্নই আরও জোরালো হল! এদিন বিধানসভায় শুভেন্দু অধিকারী বলেন, তখন CPM ছিল না। তখন তৃণমূল কংগ্রেসেরই সরকার ছিল। ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগে পর্যন্ত এবিষয়ে, কালকে যাঁরা ভাষণ দেবেন, তাঁদের ভূমিকা নেতিবাচক ছিল, উদাসীন ছিল। যাঁরা ১৫ বছর ধরে মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের মন্ত্রিসভায় নানা গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন, তাঁদের গলাতেও এখন উল্টো সুর। ফিরহাদ হাকিম বলছেন, আউটকামটা আমরা কোনওদিন দেখতে পাইনি। এমনকী শহিদ পরিবারের একাংশ বলছেন, ভেবেছিলাম হয়তো কিছু ভাল রায়টা পাব। ১৫ বছরে কিছু করতে পারেনি। যদিও কালীঘাট তৃণমূলের বক্তব্য়,
শহিদ পরিবারের দায়িত্ব অভিভাবকের মতো মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায় নিজের কাঁধে নিয়েছেন, সাহায্য় করেছেন, কর্তব্য় পালন করেছেন।
