Voice of Eastern India

Sharadwat Mukhopadhyay Exclusive: ‘কলার ধরে মেরে বের করে দেওয়া হয়েছিল!’ তৃণমূল আমলের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা শোনালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী


ঝিলম করঞ্জাই, কলকাতা: R G কর কাণ্ডের পর খুলছে কোভিড দুর্নীতির ফাইল। জানালেন নতুন দায়িত্ব নেওয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। দেশের মধ্যে দুর্নীতির পীঠস্থান হয়ে উঠেছে পশ্চিমবঙ্গ। এবিপি আনন্দ-কে দেওয়া এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে বললেন মন্ত্রী। সেই সঙ্গে মুখ খুললেন সেই নানা না-জানা অধ্যায় নিয়ে। বললেন, স্বাস্থ্যভবনে কোভিডের আন্দোলন করতে যাওয়ার সময় তাঁকে শুধু মারধর নয়, কলার ধরে, চ্যাংদোলা করে টেনে, এক তলা থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল। 

প্রসঙ্গ :অভয়াকাণ্ডের তদন্ত 

শারদ্বত মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘আমি স্বাস্থ্যভবনের একতলার বেশি খুব কমই উঠতে পেরেছি। সিঁড়ি দিয়ে লুকিয়ে উঠে পড়েছি, তাও পুলিশ উঠে পড়েছে। আমাকে কোভিডের সময়, লাস্ট আন্দোলনটা মনে আছে, চ্যাংদোলা করে, মারতে মারতে বাইরে বের করে দেওয়া হয়। রাস্তায়, ফেলে দেওয়া হয়েছিল। সেগুলোও ভুলিনি।অভয়াকাণ্ডেও তাই। মা-বাবা এসেছিলেন আমার কাছে । দীর্ঘ দেড় ঘণ্টা বৈঠক হয়েছে। ফাইলও খোলা হয়েছে। দেখা যাক কী হয়। ‘

প্রসঙ্গ : স্বাস্থক্ষেত্রে দুর্নীতি 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় : ‘দুর্নীতিতে ভারতবর্ষে পীঠস্থান হয়ে গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব বলে গিয়েছিলেন, টাকা মাটি, মাটি টাকা। একমাত্র পশ্চিমবঙ্গ করে দেখিয়েছে। এখানে মাটি খুঁড়লেই টাকা পাওয়া যায়। আমাদের কাছে কিছু খবর আসছে উড়ো। আগে আমাদের কনফার্ম করতে হবে, শনাক্তকরণ করতে হবে। ভুয়ো খবরের উপর ভিত্তি করে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা যায় না।  ‘

প্রসঙ্গ : কোভিড আমলের দুর্নীতির ফাইল খুলবে ?

স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় : কোভিড আমলের দুর্নীতির ফাইল এখনও খুলিনি। তবে সংবাদমাধ্যমকে ধন্যবাদ জানাই এটা মনে করানোর জন্য। কারণ আমরা অভয়া ও ট্রান্সফার বদলি দুর্নীতিগুলি নিয়ে অনেক বেশি চিন্তিত ছিলাম। এখন ৪ টে জেলায় আমাদের মেডিক্যাল কলেজ নেই। সেগুলোর সংকল্প তৈরি হয়ে গিয়েছে। কালিম্পং , আলিপুরদুয়ার, উত্তর দিনাজপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর – এই চারটি জেলায় আমাদের ইতিমধ্যেই সংকল্প হয়ে গিয়েছে, হবে। কেন্দ্রীয় সরকারের ৬০ শতাংশ আর্থিক সাহায্য থাকবে। ৪০ শতাংশ রাজ্য সরকারের অর্থব্যয় হবে। 

প্রসঙ্গ : বেসরকারি হাসপাতালকে বিশেষ নির্দেশিকা 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় : আমাদের পরিষ্কার ডিরেক্টিভ হচ্ছে, ১০ শতাংশ বেড খালি রাখতে হবে, কক্ষ নির্দেশিত হবে, সাইনএজ বা বোর্ড থাকবে। তিনটি ভাষায় লেখা থাকবে। সেই সাইনএজ কিন্তু সবার চোখে পড়তে হবে বা তার থেকে বড় অন্য কোনও সাইন এজ হবে না। একজন এগজিকিউটিভ থাকবেন। প্রত্যেকটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে আমাদের পেশেন্ট যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে গ্রহণ করতে হবে। ছুটি হওয়ার সময় আমাদের সেই এগজিকিউটিভ পেশেন্টকে তাঁর অ্যাম্বুলেন্সে তুলে দেবে।  


আরও পড়ুন :  অভিষেকের বাড়ির ‘তালা ভেঙে সার্চ’ ! ভেতরে কী কী করল পুলিশ? কী জানালেন অভিষেক? 

 

 



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.