Voice of Eastern India

NEET প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ রাহুল-প্রিয়ঙ্কাদের


নয়াদিল্লি: নিট প্রশ্নফাঁসের ইস্যু, প্রতিবাদে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে কংগ্রেসের বিক্ষোভ। গতকাল যন্তরমন্তরে আন্দোলনকারীদের পুলিশের লাঠিচার্জের প্রতিবাদে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ কংগ্রেসের। প্রতিবাদ কর্মসূচিতে উপস্থিত লোকসভার বিরোধী দলনেতা  রাহুল গান্ধীর, প্রিয়ঙ্কা গান্ধি, মল্লিকার্জুন খাড়গে সহ অনেকে। 

আরও পড়ুন, মেয়ো রোডের সভায় অভিষেককে আক্রমণ মদন মিত্রর, “প্রকাশ্য সমাবেশে এসে ক্ষমা চা, বল ভুল হয়েছে”

‘ককরোচ জনতা পার্টি’-র সংসদ অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার বাঁধে রাজধানীতে।বাদল অধিবেশন শুরুর দিনে, ‘ককরোচ জনতা পার্টি’-র সংসদ অভিযান এবং পুলিশের লাঠিচার্জ-টিয়ার গ্য়াসে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় রাজধানী।লাঠিচার্জ, ফাটানো হয় কাঁদানে গ্য়াসের শেল, চ্যাংদোলা করে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় বিক্ষোভকারীদের। ককরোচ জনতা পার্টির সংসদ ভবন অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয় সোমবার। আন্দোলনের চাপে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’-র প্রতিনিধিদের সঙ্গে দেখা করেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডা।

NEET-এর প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে ও CBSE-র খাতা দেখায় গোলমালের বিরুদ্ধে সোনম ওয়াংচুকের ডাকে ককরোচ জনতা পার্টির সংসদ অভিযান ঘিরে তুলকালাম পরিস্থিতি হয় রাজধানীতে। সোমবার অভিযান শুরুর আগেই যন্তরমন্তরে লাঠিচার্জ শুরু করে পুলিশ। পরে দুপুরের দিকে সংসদ ভবনের কাছাকাছি পৌঁছে যায় বিক্ষোভকারীরা। তড়িঘড়ি নিরাপত্তার কারণে বন্ধ করা হয় সংসদ ভবনের মূল গেট। বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে সকাল থেকেই কার্যত পুলিশ দিয়ে মুড়ে ফেলা হয় যন্তরমন্তর থেকে সংসদ ভবনের পথ। নয়াদিল্লি জুড়ে জারি করা হয় BNS-এর ১৬৩ ধারা। বন্ধ করে দেওয়া হয় ইন্টারনেট।

দিল্লি পুলিশের তরফে জানানো হয়, ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ কর্মসূচির জন্য কোনও অনুমতি দেওয়া হয়নি। এরমধ্যেই,পুলিশের ধরপাকড় অগ্রাহ্য করেই সংসদ ভবনের সামনে পৌঁছে যায় আন্দোলনকারীরা। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে দফায় দফায় ছোড়া হয় কাঁদানে গ্যাস। লাগাতার কাঁদানে গ্য়াসের শেল ফাটানো হচ্ছে। অ্যান্টি রায়ট ভেহিক্য়ালের সামনে বসে পড়েন।এদিকে, এদিন আলোচনার দাবিতে বিরোধীদের বিক্ষোভে দফায় দফায় সংসদরে অধিবেশন মুলতুবি হয়ে যায়। এর মধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে যান কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। 

সমাজবাদী পার্টি প্রধান  অখিলেশ যাদব বলেছেন, এখানে যখন ছাত্র, যুবরা এসেছিলেন, তারা চেয়েছিলেন সরকার ওদের কথা শুনুক, সরকারের মধ্যে এতটাই অহঙ্কার যে, শুনতেই চাইল না। শোনা তো দূর, যদি তাঁরা এই পর্যন্ত আসতে চান নিজেদের কথা বলার জন্য, তখন লাঠি, যতরকম অন্যায় করা যেতে পারে, যতরকম প্রতারণা করা যায় সেটা করা হচ্ছে। এই বিজেপির লোকজনই দুর্নীতি করে থাকেন। 



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.