Voice of Eastern India

Indranil Sen: “সারা রাত ধরে এখানে ফূর্তি হতো”, সিঙ্গুরে ইন্দ্রনীল সেনের বাগানবাড়ি নিয়ে অভিযোগের পাহাড়


সিঙ্গুর: প্রাক্তন তথ্য় সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের গ্রেফতারির পর সিঙ্গুরে তার বাগান বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি কর্মীরা।

বুধবার ইউনেস্কোর নাম ভাঙিয়ে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগে সল্ট লেকে ইডির দফতর থেকে বেরতেই গ্রেফতার করা হয় মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের ঘনিষ্ঠ প্রাক্তন তথ্য় সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনকে। বুধবারের গ্রেফতারির পর বৃহস্পতিবার সিঙ্গুরে তাঁর বিলাসবহুল বাগানবাড়ি ‘মোহর’ -এর সামনে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি কর্মীরা।

কোমরে দড়ি পরিয়ে এক ব্য়ক্তিকে ইন্দ্রনীল সেন সাজিয়ে বিক্ষোভ দেখান তারা। এমনকি ‘চোর ধরা পড়েছে’ লিখে জুতো ঝুলিয়ে দেওয়া হয় প্রাক্তন মন্ত্রীর ছবিতে।

বিজেপি কর্মী রামচন্দ্র দাস বলছিলেন, ‘আমরা সবসময়ের জন্য় চাইছি, যাতে ওঁ জীবনে না বেরতে পারে। জেল থেকে যাতে জীবনে না বেরতে পারে, সেরকম কিছু করুক সরকার।’

সিঙ্গুরের বাগডাঙ্গা ছিনামোর পঞ্চায়েতে ইন্দ্রনীল সেনের বিলাসবহুল বাগানবাড়ি রয়েছে। বিরাট এলাকাজুড়ে তৈরি এই বাগানবাড়িতে রয়েছে বড় সুইমিং পুলও।

বাগানবাড়ি নিয়ে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করলেন বিজেপি কর্মী সঞ্জয় কুমার চৌধুরী। বললেন, ‘এখানে রাতের অন্ধকারে কালো কাচ লাগানো গাড়িতে সুন্দরী মহিলাদের নিয়ে এসে, সারা রাত ধরে এই বাগানবাড়িতে ফূর্তি হতো।’

বিজেপির তরফে, আরও অভিযোগ তোলা হয়েছে যে, ইউনেস্কোর নাম ভাঙিয়ে আর্থিক দুর্নীতির টাকা এই বাগানবাড়ি ইন্দ্রনীল সেন তৈরি করেছিলেন। দুর্নীতির টাকা বিভিন্ন খাতে ব্য়বহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এর সঙ্গে আরও অনেকে জড়িত আছে। এই বাগানবাড়ি তৈরির ক্ষেত্রে নিকাশি বন্ধ করে পঞ্চায়েতের টাকায় নিয়ম বহির্ভূতভাবে রাস্তা তৈরি করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ। এই জায়গা নেওয়ার জন্য় প্রাক্তন বিধায়ক তথা মন্ত্রী বেচারাম মান্নার ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা সাহায্য করেছিল বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

ইন্দ্রনীল সেনের গ্রেফতারির পর চন্দননগরে মিষ্টি বিলি করেন বিজেপি কর্মীরা। ইন্দ্রনীল সেন তৃণমূলে কার্যত সেই বিরল ব্য়াক্তিত্ব ছিলেন, যাঁর মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায় ও অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায় – দুজনেরই ঘনিষ্ঠ বৃত্তে অবাধ বিচরণ ছিল!

২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে বহরমপুর কেন্দ্র থেকে কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরীর বিরুদ্ধে প্রার্থী করেন। সেখানে পরাজিত হলেও তিনি দলনেত্রীর আস্থাভাজন হিসেবেই থাকেন। ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে চন্দননগর কেন্দ্র থেকে জয়লাভ করার পর তিনি রাজ্য মন্ত্রিসভায় জায়গা পান এবং তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের প্রতিমন্ত্রী হন।

আরও পড়ুন: বড় সিদ্ধান্ত মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের, একসঙ্গে তিনজনকে ছাঁটাই! আইপিএলের আগে পাল্টে যাচ্ছে নকশা



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.