Voice of Eastern India

Haroa: বোমাবাজিতে উত্তপ্ত হাড়োয়া, আহত ৫ বিজেপি কর্মী-সমর্থক


সমীরণ পাল, উত্তর ২৪ পরগনা: বোমাবাজিতে উত্তপ্ত হাড়োয়া। আহত ৫ বিজেপি কর্মী-সমর্থক। গতকাল রাতে পরপর বোমা পড়ে শালিপুর পঞ্চায়েতের তালবেড়িয়া এলাকায়। অভিযোগ, এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে ওই বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা চালানো হয়। তাঁদের লক্ষ্য করে পরপর ৫টা বোমা ছোড়া হয় বলে অভিযোগ করেছেন আক্রান্তরা। আহত ওই ৫ বিজেপি কর্মী-সমর্থক ভর্তি রয়েছেন হাড়োয়া গ্রামীণ হাসপাতালে। ঘটনাস্থল থেকে তাজা বোমা ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে পুলিশ। বোমাবাজির ঘটনায় হাড়োয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। হামলার পিছনে ISF-এর দুষ্কৃতীদের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ বিজেপির। হামলার সঙ্গে দলীয় যোগ অস্বীকার করেছে ISF নেতৃত্ব।

গত মাসে বিজেপি-ISF সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়েছিল ভাঙড় এলাকা। মাধবপুর থানার সামনে হওয়া গন্ডগোল রুখতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছিলেন এক পুলিশ অফিসার সহ ৪ পুলিশকর্মীও। পথচলতি মানুষজনকেও মারধরের অভিযোগ উঠেছিল সেই ঘটনায়। বিজেপির অভিযোগ ছিল সেদিন যে ঝিঝিরআইটে বিজেপি কর্মী নাজমুল মোল্লার উপর হামলা চালায় ISF। সংখ্যালঘু হয়েও বিজেপির কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ায় তাঁকে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া বলে অভিযোগ। আক্রান্ত বিজেপি কর্মী নাজমুলের প্রাথমিক চিকিৎসার পর মাধবপুর থানায় অভিযোগ জানাতে এসেছিল বিজেপি নেতৃত্ব। অভিযোগ, সেখানেই ফের বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চালায় ISF।

কিছুদিন আগেই কোচবিহারের দিনহাটায় আক্রান্ত হয়েছিলেন বিজেপির বুথ সভাপতি বাপিচন্দ্র দাস। বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ জানানো হয়েছিল যে কংগ্রেসের মিছিল থেকে হামলা চালানো হয়েছে। তবে পুরোটা উড়িয়ে দিয়েছে কংগ্রেস। পাল্টা কংগ্রেসের দাবি, হামলার পিছনে রয়েছে বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। আহত বিজেপি নেতা ভর্তি রয়েছেন দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে। এখনও কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি থানায়।

গত মাসে যাদবপুর থানা এলাকায় বচসায় জড়িয়ে আক্রান্ত হয়েছিলেন বিজেপি যুব মোর্চার দুই নেতা। গভীর রাতে রক্তারক্তি কাণ্ড ঘটেছিল। মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। তৃণমূলের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছিলেন তাঁরা। পাল্টা জবাব দিয়েছে তৃণমূলও। যাদবপুরের মণ্ডল ১ এর বিজেপি যুব মোর্চার আক্রান্ত সভাপতি সৌম্যদীপ সাহা বলেন, ‘দুজন যুবক-যুবতী অশ্লীল কার্যকলাপ করছিল। সেগুলোর প্রতিবাদে যখন আমি এগিয়ে আসি। তখন ওরা আমার ওপরে চড়াও হয়। একটা ইট দিয়ে আমাকে মারে। যখন আমি জিজ্ঞেস করি, তখন ওরা বলে তৃণমূল করে কিন্তু পাড়ার মধ্যে করে না। পাড়ার কোনও তৃণমূল বাইরের গুন্ডাবাহিনী ভাড়া করে আমাদেরকে মারার জন্য পরিকল্পনা করেছিল।’



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.