Voice of Eastern India

Firhad Hakim: “কীসের কালীঘাট আর কীসের ইয়ে? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাদের নেত্রী আর এটা আমাদের পার্টি অফিস”, তৃণমূল ভবনে বসে বললেন ফিরহাদ


কলকাতা: মেট্রোপলিটনের তৃণমূল ভবনে সন্ধে ৬ টা নগদ হঠাৎই এসে উপস্থিত হন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় সহ ‘ঋতব্রত তৃণমূল’-এর একাধিক বিধায়ক। ছিলেন সন্দীপন সাহা, ফিরহাদ হাকিম, আখরুজ্জামান, বিপ্লব মিত্র, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, জাভেদ খান সহ আরও অনেকে। সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন মুখপাত্র আখরুজ্জামান। তারপর ফিরহাদ হাকিম বলেন, এটা তাঁদেরই পার্টি অফিস, তাই তাঁরা এসেছেন।

আরও পড়ুন: কার্যত পুলিশের ‘দখলে’ তৃণমূল ভবন, মালিকপক্ষ বলছেন চুক্তি ছিল তৎকালীন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে!

কলকাতার প্রাক্তন মেয়র বললেন, “আমাদের পার্টি অফিসে আমরা এসেছি। নতুন কি? আমাদের এটা পার্টি অফিস। আমি আগেও এসেছি, আজকেও এসেছি। কীসের কালীঘাট আর কীসের ইয়ে? তৃণমূল এক, তৃণমূলের পার্টি অফিস এটা। আমি আগেও আসতাম। এখনও এসেছি।”

আসল তৃণমূল বা তৃণমূলের অন্য গোষ্ঠী প্রসঙ্গ তোলা হলে সরাসরি কোনও জবাব দিতে চাননি কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তিনি বলেন, “আমি এসবের জবাব দেব না। আমি তৃণমূল করি। এবং তৃণমূলেরই পার্টি অফিসে এসে বসেছি। এটাতে কোনও অন্যায়ের কিছু নেই।”

আরও পড়ুন: তৃণমূল ভবনের গেটে তালা লাগাল ‘ঋতব্রত তৃণমূল’, তারপরই সেখানে হাজির কুণাল ঘোষ

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুধুমাত্র পরামর্শদাতা হিসাবে থাকবেন? এই প্রসঙ্গে ফিরহাদ বলেন, “আমি তো এসব বলিনি। আমার মুখে এই সব বসাবেন না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি আছে তো। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাদের নেত্রী আর এটা আমাদের পার্টি অফিস। আমি আগেও আসতাম, এখনও আসছি। নির্বাচনের সময় আসতে পারিনি। আজ এলাম।”

যদিও ব্যানার বদল নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি ফিরহাদ হাকিম। এদিকে, ফিরহাদরা তৃণমূল ভবন থেকে বেরোনোর পরই সেখানে গিয়ে পৌঁছন কুণাল ঘোষ, জয়া দত্তের মতো তৃণমূল নেতা, নেত্রীরা। তারপর সেখানে এসে পৌঁছয় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। তৃণমূল ভবনের দখল কার্যত চলে যায় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর কাছেই।

এরই মধ্যে বাড়ির মালিক জানিয়েছেন, ২০২৫ সালের পর এই তৃণমূল ভবন নিয়ে নতুন করে কোনও চুক্তি হয়নি। তৃণমূলের তরফে চুক্তি হয়েছে দাবি করা হলেও, বাড়ির মালিক কিন্তু বলছেন অন্য কথা। এ ছাড়াও তাঁরা বলছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁদের মৌখিক কথা হয়েছিল। তিনি নাকি বলেও ছিলেন জুন মাসের পর এই বাড়ি ছেড়ে দেবেন তাঁরা। এ ছাড়াও যেটা খবর, মালিকপক্ষ বলেছেন, এর আগে যে চুক্তি হয়েছিল, তা কিন্তু তৃণমূলের সঙ্গে হয়নি। বরং চুক্তি করা হয়েছিল ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে। এমনকি চুক্তিপত্রেও রয়েছে ফিরহাদ হাকিমের সই।



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.