Voice of Eastern India

District News: জঙ্গলে রোখা হবে অবৈধ নির্মাণ, ৩ মন্ত্রীর উপস্থিতিতে বিশেষ বৈঠক জলদাপাড়ায়


অরিন্দম সেন, আলিপুরদুয়ার: তিন মন্ত্রীর উপস্থিতিতে বন ও পর্যটনে উন্নয়ন সংক্রান্ত বিশেষ বৈঠক হল জলদাপাড়ার এনআইসি-তে।  জেলা প্রশাসন, বন দফতরের আধিকারিকরা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন স্টেক হোল্ডার-রা। সঙ্গে তিন মন্ত্রীকে পেয়ে খুশি বনাধিকারীকসহ পর্যটন ব্যবসায়ীরা। 

বৈঠকে কী কী আলোচনা হল?

আলিপুরদুয়ারের হলং বাংলোর কাজ পরিদর্শনের পরে এদিন বনমন্ত্রীর উদ্যোগে বন ও পর্যটন সংক্রান্ত সম্ভাবনা বা সমস্যা নিয়ে বিশেষ বৈঠক হয় জলদাপাড়ায়। বনমন্ত্রী মনোজ ওরাও ছাড়াও সেই বৈঠকে উপস্থিত হন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মন এবং প্রতিমন্ত্রী বিশাল লামা। ছিলেন জেলা শাসক ময়ূরী ভাসু, জেলা পুলিশ সুপার অমিত কুমার শাহ। বনদপ্তরের পক্ষ থেকে রাজ্যের বন্যপ্রাণ শাখার উত্তরবঙ্গের মূখ্য-বনপাল যে. ভি. ভাষ্কর ছাড়াও ছিলেন বক্সার ডিএফডি কুমার ভীমল, জলদাপাড়ার ডিএফও পারভীন কাসওয়ান ছাড়া অন্যান্য আধিকারিকগণ। এদিন বনকর্মী ছাড়াও বিভিন্ন এনজিও, ট্যুর অপারেটর, গাইড ও জিপসি মালিক, হোটেল মালিক সমিতির সঙ্গে বৈঠক করেন তারা। বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা, নতুন সাফারি রুটসহ হাতি-মানুষ সঙ্ঘাত নিয়ে বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করেন বনমন্ত্রীকে। 

বৈঠকের পর মন্ত্রী বলেন, বিদায়ী সরকার বনে প্রবেশের ক্ষেত্রে তুঘলকি সিদ্ধান্ত নিয়ে চার্জ-ফ্রি করে দিয়েছিল। সেটা বিচার করে দেখা হচ্ছে। মানুষের প্রবেশ উন্মুক্ত হওয়ার কারণে সবদিকেই ক্ষতি হচ্ছে। ডিজিটালি ব্যবস্থা করা হবে। মানুষ হাতির সংঘাত কিম্বা চা বাগানে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ, সব ক্ষেত্রেই বনের সাথে জড়িত সমস্ত ক্ষেত্রের মানুষের মতামত নিয়েই আলোচনা চলবে। জঙ্গলে অবৈধ রিসর্ট বা নির্মানের বিরুদ্ধে শক্ত হাতে রোখা হবে। কারণ একদিকে সার্কিট ট্যুরিজম অপরদিকে ভিন্ন স্থান থেকে বন্যপ্রাণী আনার পরিকল্পনা চলছে। ফলে প্রাণীদের কোনোরকম ব্যাঘাত ঘটানোর কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না,  বলে জানান মন্ত্রী মনোজ। অপরদিকে বনমন্ত্রী ছাড়াও একসঙ্গে দুই মন্ত্রী সহযোগে এমন বৈঠকে হাজির হয়ে নিজেদের ভাবনা তুলে ধরতে পারায় খুশি পর্যটন ব্যবসায়ীরা।

অন্যদিকে আজ, একেবারে বিশেষ ভূমিকায় দেখা গেল শুভেন্দু অধিকারীকে। পরিবর্তনের রাজ্যে পরিচ্ছন্নতা অপরিহার্য। স্বচ্ছতা কর্মসূচিতে বাগবাজারে মায়ের ঘাট পরিষ্কার করে বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। নিজে হাতে মায়ের ঘাটের সিঁড়ি ঝাড়ু দিয়ে পরিষ্কার করলেন শুভেন্দু অধিকারী। নমামি গঙ্গে প্রকল্পের কাজ নিয়ে বিঁধলেন পূর্বতন তৃণমূল সরকারকে। 

আরও পড়ুন: Mimi Chakraborty: অনুমতি দেননি স্বরূপ বিশ্বাস, থামিয়ে দিতে হয়েছিল মিমির শ্যুটিং! জানালেন পরিচালক

 



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.