Control of Anti Social Activities Bill: কাল থেকে রাজ্যে কার্যকর গুন্ডা দমন আইন, কী কী ইস্যু তৈরি হলেই ‘গ্রেফতার করতে পারবে’ পুলিশ ? কী কী বাজেয়াপ্ত হতে পারে ?
কলকাতা: বিধানসভায় গুন্ডা-দমন বিল পাস হতেই, গুন্ডাদের কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি তৃণমূলকে আক্রমণ করেছিলেন মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আর এবার কাল থেকেই রাজ্যে কার্যকর গুন্ডা দমন আইন। অশান্তির আঁচ পেলেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে পারবে পুলিশ। সরকারি ও বেসরকারি সম্পত্তি নষ্টে গুন্ডাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত। ২৯ জুন বিধানসভায় পাস গুন্ডা দমন সংক্রান্ত জোড়া বিল।
আরও পড়ুন, “আমরাই আসল তৃণমূল..”, এবার ‘দল পরিচালনা’ নিয়ে বড় বার্তা ঋতব্রতর
গত ১৫ বছরের তৃণমূল জমানায় এরাজ্য়ে বারবার অভিযোগ উঠেছে গুন্ডাদের প্রশ্রয় দেওয়ার। থানায় গিয়ে গুন্ডা ছাড়িয়ে আনা, থানায় হামলা চালানো, কিছুই বাদ যায়নি। এই প্রেক্ষাপটে বিধানসভায় কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী । তিনি বলেছিলেন, ‘কালীঘাট থানায় পুলিশ টেবিলের তলায় ঢুকেছিল। আপনি ভেবেছেন ওইটা? আমার দায়িত্ব পুলিশকর্মীদের নিরাপত্তা দেওয়া। সরকারি বেসরকারি যাই ভাঙুক, এক ইঞ্চি এগোতে দেব না। একদম নিশ্চিন্ত থাকুন। দাঙ্গা, বেআইনি সমাবেশ, হিংসাত্মক বিক্ষোভ, আইন শৃঙ্খলা ভঙ্গের অন্যান্য ঘটনায় সরকারি ও বেসরকারি সম্পত্তির সুরক্ষা নিশ্চিত করা রাষ্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। ‘
রাজ্যে সম্পত্তি ধ্বংস, দাঙ্গা এবং উগ্র-ধ্বংসাত্মক আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটাতে বিধানসভায় দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পাস করেছে নতুন সরকার। আর বিধানসভায় দাঁড়িয়ে এই আইনের প্রয়োজনীয়তা ব্য়াখ্য়া করলেন মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এই বিল অনুযায়ী এবার থেকে আইনশৃঙ্খলার গুরুতর অবনতি থেকে হিংসাত্মক বিক্ষোভের আঁচ পেলে, ঘটনা ঘটার আগেই, অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে পারবে পুলিশ। এছাড়া যে কোনও সরকারি ও বেসরকারি সম্পত্তি নষ্টের ক্ষেত্রে এবার থেকে গুন্ডাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তও করতে পারবে সরকার। গুন্ডা বলতে প্রধানত বলা হয়েছে নিজে অথবা কোনও দল, গ্যাং বা সিন্ডিকেটের সদস্য বা নেতা হিসেবে নিয়মিতভাবে সমাজবিরোধী কার্যকলাপ করেন, করার চেষ্টা করেন, উস্কানি দেন, অর্থ জোগান বা সহায়তা করেন। এক্ষেত্রে রাজ্য সরকার যদি, পুলিশ সুপারের নীচে নয় এমন পদমর্যাদার কোনও অফিসারের রিপোর্টের ভিত্তিতে সন্তুষ্ট হয় যে রাজ্যে কোনও গুন্ডাকে সমাজবিরোধী কার্যকলাপ থেকে বিরত রাখতে আটক করা প্রয়োজন, তাহলে সরকার ওই ব্যক্তিকে আটক করার নির্দেশ দিতে পারে।
