Voice of Eastern India

CM Suvendu Adhikari: ‘আমার কাছে আছে…’, ২০২১-এ নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে সত্যি আঘাত লেগেছিল ? চাঞ্চল্য়কর দাবি মুখ্যমন্ত্রীর


কলকাতা: ২০২১ সালে নন্দীগ্রাম। ২০২৬ সালে ভবানীপুর। পরপর দুই বিধানসভা ভোটে, দুই কেন্দ্রে মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়কে হারিয়েছেন শুভেনদু অধিকারী। পাঁচ মাস আগের বিধানসভা ভোটে, দুই কেন্দ্র থেকেই জেতেন তিনি। তারপর ভবানীপুর রেখে ২০১৬ থেকে জেতা নন্দীগ্রাম ছেড়ে দেন। কিনতু, এর কারণ কী? শুক্রবার নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের প্রচারে গিয়ে সেই কারণ জানালেন মুখ্য়মন্ত্রী। সেই সঙ্গে ২০২১ সালে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের পায়ের আঘাত নিয়েও চাঞ্চল্য়কর দাবি করলেন তিনি। আর এই দাবির পর শোরগোল পড়ে গিয়েছে গোটা রাজ্যে। অনেকের মনে প্রশ্ন তবে কী সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পায়ে সত্যি কোনও ছোট লাগেনি ? সবটাই মিথ্যে ? 

২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে বড় ব্যবধানে জয়লাভ করলেও মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর ভবানীপুর রেখে নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্র ছেড়ে দিলেন শুভেনদু অধিকারী। তবে এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে রয়েছে বড় কারণও। তা খোলসা করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ‘আমি ভবানীপুরটা ছেড়ে দিলে, যাঁকে (মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়) মানুষ বিতাড়িত করেছে আবার দাঁড়ানোর সুযোগ পেয়ে যেতেন।’ এরপর তিনি ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটের প্রসঙ্গ টেনে মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের পায়ের আঘাত নিয়েও চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে আনলেন। 

আরও পড়ুন – ‘সব চোরেরা জেলে, এবার বড় চোরও জেলে যাবে’, ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য মুখ্যমন্ত্রীর, কাকে নিশানা ?

২০২১ সালে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের পায়ের আঘাত নিয়েও শুক্রবার মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, ”আমি ব্য়ক্তি আক্রমণ করি না। আমি মুখ্য়মন্ত্রী হওয়ার পরে PG (SSKM) হাসপাতালে গেছিলাম। এক্স রে প্লেট তো রোগী পেয়ে যায়, ডাক্তারের কাছে থাকে না। কিন্তু এক্স রে রিপোর্ট থাকে। আমার কাছে ওই কাগজটা আছে। তখন উনি (মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়) মুখ্য়মন্ত্রী। ওনার ডাক্তাররা লিখে দিয়েছেন ‘নো ফ্র্য়াকচার’। আমার কাছে আছে।”

২০২১ সালের ১০ মার্চ নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে মনোনয়ন পেশের দিন পায়ে আঘাত পান মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। এরপর পায়ে প্লাস্টার নিয়ে হুইল চেয়ারে বসে জেলায় জেলায় ঘুরতে দেখা গেছিল মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়কে। প্রচারে বারবার সেই বিষয়টা তুলে ধরে, আবেগের হাওয়া পালে টানার চেষ্টাও করেছিলেন তিনি। সেই সময় তৃণমূল নেত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে কাঠগোড়ায় টেনে বলেছিলেন, ‘আজও আমায় পা ভাঙা নিয়ে হুইলচেয়ারে বসে মিটিং করতে হচ্ছে। তোমার নির্দেশ ছাড়া এ সব হতে পারে না। কোনও নন্দীগ্রামের লোক এ সব করতে পারে না। বহিরাগত গুন্ডাদের দিয়ে এ সব করিয়েছ তুমি’। তা নিয়েই এবার চাঞ্চল্য়কর দাবি করলেন শুভেনদু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, আপনাদের বদনাম করে দিয়েছিল না? বদনাম করে দিয়েছিল। সামনে ওনার গাড়ির দরজা লেগেছিল একটা লোহার বিমে। দরজাটা ফিরে এসে পায়ে একটু চোট লেগেছিল। আর পা ভেঙেছে বলে ব্য়ান্ডেজ লাগিয়ে ঘুরেছিলেন। যেদিন দরকার হবে, চ্য়ালেঞ্জ করলে দেখিয়ে দেব। আমি এখন পুলিশমন্ত্রীও বটে। সেদিন দেখিয়ে দেব।



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.