তারাতলায় গোডাউন বিপর্যয়ের আজ তৃতীয় দিন,ধ্বংসস্তূপের নীচে মৃত্য়ু-মিছিল। এখন শুধুই স্বজনহারাদের কান্না, হাহাকার। পুলিশ হেফাজতে প্রাক্তন মেয়রের OSD। কালীচরণের রক্ষাকর্তা কে? হেফাজতে রেখে জানতে চায় SIT। অন্যদিকে কলকাতা-সহ ১০ পুরসভার বাণিজ্যিক নির্মাণ ৩১ জুলাই পর্যন্ত বন্ধের নির্দেশ সরকারের। কিন্তু প্রশ্ন একটাই, এতগুলো মৃত্যুর জন্য দায়ী কারা?
পড়ুন আরও খবর – মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাসের পরেই অ্যাকশন, পরপর গ্রেফতার। সরকার বদল হতেই মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা, ২দিনে ১০জন গ্রেফতার। ২৪জনের বিরুদ্ধে FIR, তৃণমূল আমলে গ্রেফতার মাত্র ১১। গুড়গাঁও থেকে গ্রেফতার মিনারুল শেখ, নাগপুর থেকে শাহিবুল। কাকদ্বীপে সিপিএম দম্পতি খুনে ১০জন গ্রেফতার।
তারাতলা বিপর্যয়ের পর কড়া অবস্থান রাজ্য সরকারের। ‘৩১ জুলাই পর্যন্ত বেসরকারি বাণিজ্যিক নির্মাণকাজ পুরোপুরি বন্ধ’। ‘অডিট-রিপোর্ট পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত’। ‘অডিটে বেনিয়ম ধরা পড়লে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা’। ‘কলকাতা-বিধাননগর-রাজারহাট-NKD-পুজালি-মহেশতলা পুরসভায় নির্মাণকাজ বন্ধ’। ‘দক্ষিণ দমদম-বরানগর-কামারহাটিতেও বাণিজ্যিক নির্মাণকাজ বন্ধ’। ‘G+5-এর নীচের উচ্চতাযুক্ত ব্যক্তিগত বাড়ির সংস্কার করা যাবে’। বাণিজ্যিক বহুতলে জলাশয়, দমকল বিধি, বজ্রপাত রোধে কী বিধি পালন? দেখা হবে খতিয়ে।
