BJP News : ৬ দলীয় কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের BJP বিধায়কের, ‘তোলাবাজি ইস্যুতে প্রতিবাদ করায় আক্রান্ত’
সৌমেন চক্রবর্তী, ডেবরা : তোলাবাজির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় শাসকদলেরই একাংশের হাতে তিনি আক্রান্ত হয়েছেন বলে ইতিমধ্যে অভিযোগ তুলেছেন ডেবরার বিজেপি বিধায়ক শুভাশিস ওম। এই ঘটনায় এবার ডেবরা থানায় ৬ দলীয় কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করলেন বিধায়ক। পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযোগ জমা পড়েছে। সেই অভিযোগ খতিয়ে দেখে এফআইআর করা হতে পারে।
অভিযোগপত্রে বিধায়ক জানিয়েছেন, গতকাল বিকাল ৪টে নাগাদ ডেবরা থানা থেকে সামান্য দূরে বচসায় জড়িয়ে পড়েন বেশকিছু বিজেপি কর্মী। এক পক্ষের বিজেপি কর্মী অপর পক্ষকে মারধর করেন। সেইসময় তিনি বাধা দিতে যান। তখন তাঁকেও মারধর করা হয়। তাঁর সঙ্গে থাকা নিরাপত্তারক্ষীই তাঁকে উদ্ধার করেছেন বলে দাবি করেছেন বিধায়ক। অর্থাৎ নিরাপত্তারক্ষী না থাকলে তিনি আরও আক্রান্ত হতে পারতেন বলে আশঙ্কা করা হয়েছে।
এরপর বিধায়ককে প্রথম ডেবরা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে মেদিনীপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয়।
কী অভিযোগ বিজেপি বিধায়কের ?
বিধায়ক বলেন, “আমাদের সরকারের যা আছে…তোলাবাজির প্রতি জিরো টলারেন্স। তাতে মান্যতা দিয়েই আমি এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছি। কিন্তু, দেখছি তোলাবাজি বন্ধ হয়নি। জেলা নেতৃত্বের মদতেই তোলাবাজি চলছে। তার আমি প্রতিবাদ করায়….। বিজেপি করে, ৪ তারিখের পরে ঢুকেছে। আগে থেকেও কিছুজন ছিল, তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েই এটা করছে। প্রতিবাদ করায় তারা হামলা করে। আমি নয়, আমার সঙ্গে আরও ৪-৫ জন যারা ছিল, তাদের উপর হামলা হয়। প্রচণ্ড মারধর করে তাদের। এই উত্তেজনা আমি থামাতে গেলে আমার উপরও আক্রমণ হয়। আমি চাই যে, যে স্বপ্ন নিয়ে মানুষ পরিবর্তন করেছে, তার দিশাতেই সরকার চলুক। দুর্ভাগ্য, কারণ তোলাবাজির বিরুদ্ধে আমি প্রতিবাদ করেছিলাম। দীর্ঘদিন প্রতিবাদ করছি। যাদের পছন্দ নয়, তারা আঘাত করেছে। নিশ্চয়ই মদত আছে, নাহলে এমএলএ-র উপর আক্রমণ করার দুঃসাহস দেখানো উচিত নয়, আমার মনে হয়।”
যদিও ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি তন্ময় দাস বলেন, “কোথায় কী তোলাবাজি হয়েছে সেসব কিছু আমি জানি না। আমার কাছে কেউ তোলাবাজি নিয়ে কোনও অভিযোগও করেননি। কিছু কিছু জায়গা থেকে অভিযোগ এসেছে। সেটা আমাদের পার্টির কেউ যুক্ত আছে কি না সেই ব্যাপারেও আমি প্রেসের সামনে বলতে পারব না। আজকের ঘটনা শুনেছি। আমি যখন হাসপাতালে এলাম…শোনার পরে হাসপাতালে দেখলাম সবাই মোটামুটি ঠিকঠাকই ছিলেন। হেঁটে চলছিল। তারপরে আপনারা সাংবাদিকরা যখন এলেন…সবাই দেখলাম ব্যান্ডেজ হচ্ছে। মেডিক্যালে প্রচণ্ড লাইন পড়ে গেছে। এগুলো ঠিক নয়। পার্টির সমস্ত কর্মীরাই…আমরা মিলে ভোটে বিধায়ক তৈরি করেছি। ইন্টারনাল কিছু বিষয় থাকলে সেগুলো আলাদা আলাদাভাবে বসা যেত। এভাবে পাবলিকলি কোনও কিছু না করাটাই আমার মনে হয় ভাল।”
Tulu Mondal News: গ্রেফতার রবিউল ইসলাম, টুলু মণ্ডলের সঙ্গে কীভাবে যোগাযোগ? | Birbhum | ABP Ananda
