Voice of Eastern India

Abhishek Banerjee: পরপর ৩দিন অভিষেককে তলব, দুর্নীতির শিকড় কত গভীরে খুঁজে বার করবে ডবল ইঞ্জিনের সরকার?


কলকাতা: সই জালিয়াতি, প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি, উস্কানিমূলক মন্তব্য়ের অভিযোগ…তিনটি মামলায় পরপর ৩ দিন অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়কে তলব করেছে CID ও ED.রবিবার প্রায় সাড়ে ৮ ঘণ্টা অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়কে জেরা করে CID। আর সোমবার, প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁকে ম্য়ারাথন জিজ্ঞাসাবাদ করল ED। 

রবিবার সই জালিয়াতিকাণ্ডে CID-র জিজ্ঞাসাবাদ। সোমবার প্রাথমিক ‘দুর্নীতি’তে ED-র মুখোমুখি। মঙ্গলবার উস্কানি-মামলায় CID-র তলব। আইনি প্য়াঁচে অভিষেক। কখনও ৮, কখনও সাড়ে ৫ ঘণ্টা জেরা। ‘জালিয়াতি’ থেকে ‘দুর্নীতি’ মামলায় জেরা।

কখনও CID, কখনও ED, কখনও রাজ্য় এজেন্সি, কখনও কেন্দ্রীয় এজেন্সি! প্রায় প্রতিদিনই ম্য়ারাথন জেরার মুখে অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। ভোটে বিপর্যয়ের পর রাজনৈতিক অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তো উঠেইছে। আইনি দিক থেকেও মহাবিপাকে ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূলের সাংসদ!

সই জালিয়াতি, প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি, উস্কানিমূলক মন্তব্য়ের অভিযোগ… তিনটি মামলায় পরপর ৩ দিন অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়কে তলব করেছে CID ও ED। ২ দিন জেরা হয়েছে। মঙ্গলবার ফের জেরা হবে।

পঞ্চায়েত মন্ত্রী ও বিজেপি বিধায়ক দিলীপ ঘোষ বলছেন, ‘যেখানে যত দুর্নীতি হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে, নীচ থেকে উপর পর্যন্ত, সব জায়গায় ওঁদের হাত আছে। পার্টির হাই কমান্ডের হাত। সব সুবিধা ওঁরা নিয়েছেন। সব জানতেন।’

সই জালিয়াতি মামলায় রবিবার অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়কে জেরা করে CID। CID-র প্রশ্নের মুখে অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। আর সোমবার, প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ED-র মুখোমুখি হতে হল তাঁকে অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। সোমবার সকালে CGO কমপ্লেক্সে হাজির হন তিনি!

প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় প্রায় এক বছর আগে তৃতীয় সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট দিয়েছিল CBI। কেন্দ্রীয় এজেন্সির তদন্তে উঠে এসেছিল ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের’ নাম। লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের আলিপুরের অফিসে অভিযান চালিয়েছিল ED-ও। তাদের চার্জশিটেও লিপস অ্য়ান্ড বাউন্ডস সংস্থার নাম ছিল। এই সংস্থার CEO অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এর আগেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি। রবিবার ফের ইডির তলবে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হন তিনি। এই সিজিও কমপ্লেক্সে অভিষেক একই মামলায় হাজিরা দেন। দাবি করেন, ৫ হাজার পাতার নথি ইডি দফতরে জমা দিয়েছেন। সেই ৫ হাজার পাতার নথি খতিয়ে দেখার পর আজ তাঁকে তলব। মূলত একদিকে ইডির যে তদন্ত, সম্পত্তির হিসেব কী, টাকার উৎস কী? টাকা নয়ছয় হয়েছে কি না, ব্য়াঙ্ক অ্য়াকাউন্টে কত টাকা জমা পড়েছে? টাকার উৎস কী, সেখানে কী তথ্য় বেরিয়ে আসে, তা অভিষেক বন্দ্য়োপাঝ্য়ায় কী উত্তর দেন, সেটাই দেখার বিষয়।

দুর্নীতির শিকড় কত গভীরে? কারা জড়িত এতে? কারা শিক্ষা ব্য়বস্থার সর্বনাশ করেছে? ডবল ইঞ্জিনের সরকার কি তা খুঁজে বার করবে?



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.