কলকাতা: তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার কলকাতা পুরসভার আরও এক তৃণমূল কাউন্সিলর। কলকাতা পুরসভার ১০৬ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর অরিজিৎ দাস ঠাকুর গ্রেফতার। কলকাতা পুরসভার কাউন্সিলরকে গ্রেফতার করল গড়ফা থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, লক্ষ লক্ষ টাকা তোলাবাজির অভিযোগ রয়েছে অরিজিৎ দাস ঠাকুরের বিরুদ্ধে। গত ১ জুন তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে গড়ফা থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। গতকাল গভীর রাতে কলকাতা পুরসভার কাউন্সিলরকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার পর্ব অব্যাহত। ২০২১-এ ভোট পরবর্তী হিংসা ও তোলাবাজি সহ একাধিক অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে কলকাতা পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর সচিন সিংকে। পুলিশের জালে, কালনার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক দেবপ্রসাদ বাগও। ঘেরাওয়ের মুখে পড়ে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি কাটোয়ার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। গৃহদাহে জ্বলছে তৃণমূল! একদিকে যেমন ফেটে পড়ছে নেতাদের একাংশের ক্ষোভের আগ্নেয়গিরি….এরইমধ্য়ে দুর্নীতি সহ নানা অভিযোগে জেলায় জেলায় গ্রেফতার হচ্ছেন তৃণমূল নেতারা। সম্প্রতি উলুবেড়িয়া পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, ‘আমরা মিটিংয়ে যায়নি কারণ আমরা উঠে দাঁড়িয়ে অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়কে অভিবাদন জানাতে পারব না সেজন্য যায়নি। সময় নষ্ট। আর বলবেন যে টুইট দেখে নাও। কোনও মানে হয় না।’
উঠছে চোর চোর স্লোগান। মঙ্গলবার গ্রেফতার করা হয়েছে কলকাতা পুরসভার ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সচিন সিংকে। পুলিশ সূত্রে খবর, ২০২১-এ ভোট পরবর্তী হিংসা ও তোলাবাজি সহ একাধিক অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে।এদিন নারকেলডাঙায় তাঁর বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। ছিলেন টেলিভিশনের মেকানিক…সেখান থেকে হয়ে উঠেছেন এলাকার হত্তা কত্তা বিধাতা। পূর্ব বর্ধমানের কালনার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক তিনি। অভিযোগ, তৃণমূল জমানায় এভাবেই রকেট গতিতে উত্থান হয়েছে প্রাক্তন বিধায়ক দেবপ্রসাদ বাগের। সোমবার মাঝরাতে ত্রাণ-দুর্নীতির তদন্তে তাঁর বাড়িতে হাজির হয়ে পুলিশ। পরে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।
মঙ্গলবার সকালে মেডিক্যাল চেকআপ করতে যাওয়ার পথে, প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ককে লক্ষ্য করে ছোড়া হয় ডিম…দেওয়া হয় ‘চোর চোর’ স্লোগান। কাটোয়া স্টেশন বাজার গুদাম থেকে ত্রাণ সামগ্রী বের করার সময় ঘেরাও হলেন কাটোয়ার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। শুরু হয় চোর চোর স্লোগান। খবর পেয়ে কাটোয়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়কে উদ্ধার করে। অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে। বিক্ষোভের মুখে পড়লেন নৈহাটির তৃণমুলের প্রাক্তন বিধায়ক সনৎ দে। ওঠে চোর চোর স্লোগান। স্থানীয় বাসিন্দাদর অভিযোগ, গোপন জিনিসপত্র সরানোর জন্য তিনি রাতে পার্টি অফিসে ঢুকেছিলেন। কেন্দ্রীয় বাহিনী তাঁকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়ার সময় ডিম ছুড়তে থাকে ক্ষিপ্ত জনতা।
