Voice of Eastern India

Samik Bhattacharya: ‘সৎসঙ্গে স্বর্গবাস, অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ’, প্রাক্তন মন্ত্রী আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে বললেন শমীক ভট্টাচার্য


কলকাতা: রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী, বিধানসভার প্রাক্তন ডেপুটি স্পিকার, পাঁচ বারের বিধায়ক তিনি। সেই আশিস বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হল তৃণমূলের কার্যালয় থেকে। একটি নোটও উদ্ধার হয়েছে, যা ‘সুইসাইড নোট’ বলে মনে করছে পুলিশ। গোটা ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। সেই নিয়ে এবার মুখ খুললেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। রাজ্য প্রশাসনকে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখতে বললেন তিনি। (Asish Banerjee Death Mystery)

রবিবার সকালে আশিসের মৃত্য়ুর খবর সামনে আসে। সেই নিয়ে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে শমীক বলেন, “এটা নিয়ে যা বলার প্রশাসন বলবে, পুলিশ বলবে। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত প্রশাসনের।” এরই সঙ্গে শমীক যোগ করেন, “সৎসঙ্গে স্বর্গবাস অসৎসঙ্গে সর্বনাশ।” (Samik Bhattacharya)

রাজ্যের মন্ত্রী তথা বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পাল এদিন বলেন, “উনি লিখে গিয়েছেন মানেই আত্মহত্যা করছেন, প্রথমেই এটা দিয়ে আমি শুরু করছি না। পুলিশ তদন্ত করে দেখবে। যদি ধরেই নিই উনি আত্মহত্যা করেছেন, তা অত্যন্ত দুঃখজনক। তৃণমূলের সবাই যে চোর, তা তো নয়! ১০০ শতাংশ চোর, তা তো বলা যায় না। অনেকে শিরদাঁড়া সোজা করে এসেছেন, এমন গুটিকয়েক মানুষও আছেন।”

আরও পড়ুন: ‘FIR করতে বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী, পুলিশ প্রোটেকশন দিতে চেয়েছিলেন’, আশিস বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে নিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে কথা অনুব্রত মণ্ডলের

বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করেন আশিস। তবে রাজনীতিতে আর আগের মতো সক্রিয় ছিলেন না তিনি। আশিসের মৃত্যুতে এদিন ঋতব্রত বলেন, “সুইসাইড নোটটা হৃদয় বিদারক। ছাত্রাবস্থা থেকে রাজনীতি করেন। তিনি বলছেন, ‘ভুল হয়েছে’। গত কয়েক মাসে বিধানসভায় বা দলের বৈঠকে যখন দেখা হয়েছে, নানা বিষয়ে তাঁর আক্ষেপের সাক্ষী আমরা অনেকেই।”

আরও পড়ুন: ‘দুর্নীতি করিনি’, লেখা রয়েছে নোটে, রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী, ডেপুটি স্পিকার, বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার

আশিসের এমন পরিণতির জন্য রাজ্যের পূর্বতন তৃণমূল সরকারের দিকেই আঙুল তুলেছেন ঋতব্রত। তাঁর কথায়, “গত ১৫ বছরে বাংলা জুড়ে যে প্রাতিষ্ঠানিক লুঠ হয়েছে, লিগালাইজ়ড ব্লান্ডার হয়েছে, তার কুশীলব হাতেগোনা লোক। কিন্তু তার দায় তৃণমূলের সব কর্মীদের দিতে হচ্ছে। যারা কোনও কিছুর সঙ্গে যুক্ত নয়, অর্থনৈতিক অপরাধের সঙ্গে যুক্ত নয়, তারাও বাদ পড়ছে না। লুঠ এবং অপরাধ যে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি করেছে জনমানসে, আমরা কেউ তার দায় এড়াতে পারছি না। প্রত্যেকের উপর সাংঘাতিক রকমের মানসিক চাপ পড়ছে।”



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.