Mamata Banerjee: হঠাৎ ‘ঋতব্রত তৃণমূলে’র অনুষ্ঠানে হাজির কুণাল ঘোষ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে জয়ধ্বনি দিলেন, হতচকিত সকলেই
কলকাতা: প্রথমে তপসিয়া, পরে মেট্রোপলিটনে ‘ঋতব্রত তৃণমূলে’র স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে হাজির হলেন কুণাল ঘোষ। তাঁকে দেখে কার্যত হতভম্ব হয়ে গেলেন ‘ঋতব্রত তৃণমূলে’র সকলে। সেখানে শহিদ বেদীতে মাল্যদান হয় প্রথমে। তার পর মাইক হাতে কিছু বলতে বলা হয় কুণালকে। আর তাতেই সকলকে চমকে দেন কুণাল। ‘ঋতব্রত তৃণমূলে’র সামনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে জয়ধ্বনি দেন তিনি। (Kunal Ghosh)
গত বিধানসভা নির্বাচনে বেলেঘাটা থেকে জয়ী হন কুণাল। নির্বাচনে পরাজয়ের পর তৃণমূল খান খান হয়ে গেলেও, কুণাল মমতার ‘কালীঘাট তৃণমূলে’ই রয়ে গিয়েছেন। দল এবং নেত্রীর হয়ে লাগাতার সওয়াল করে চলেছেন তিনি। সেই আবহেই শনিবার হঠাৎ ‘ঋতব্রত তৃণমূলে’র স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে পৌঁছে যান কুণাল। প্রথমে তপসিয়ায় যান তিনি। দোলা সেনের সঙ্গে ‘কালীঘাট তৃণমূলে’র হয়ে পতাকা উত্তোলন করেন। এর পর মেট্রোপলিটনে ‘ঋতব্রত তৃণমূলে’র স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে পৌঁছন তিনি। (Mamata Banerjee)
আরও পড়ুন: জনগণনায় ৪০টি প্রশ্নের তালিকা প্রকাশ করল কেন্দ্র, কোভিড টিকা, ব্য়াঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্যও দিতে হবে
কুণালকে সেখানে দেখে হতচকিত হয়ে যান অনেকেই। তার পরও মাইক দেওয়া হয় কথা বলার জন্য। সেই মাইক হাতে নিয়ে কুণাল নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর অপমানের প্রসঙ্গ তোলেন কুণাল। জানান, নেতাজীর নামে যখন খারাপ কথা বলেননি, অনন্ত মহারাজকে সম্মানিত করা হয়েছিল। বিজেপি-ও তাঁকে সাংসদ করেছে। কিন্তু এখন তিনি যা বলছেন, তা সমর্থনযোগ্য নয়। কুণাল বলেন , “নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুকে যে পরিমাণ অপমান করেছেন উনি, তাতে শুধুমাত্র লোকদেখানো ক্ষমা চাওয়া বা এফআইআর নয়, তাঁকে গ্রেফতার করতে হবে। খারিজ করতে হবে তাঁর সাংসদ পদ।”
কুণাল আরও বলেন, “বিজেপি যদি সত্যিই নেতাজীর প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ দেখাতে চান, আগে দল থেকে বহিষ্কার করুন ওঁকে। অর্থনৈতিক এবং সামাজিক ভাবে দেশের সাধারণ মানুষ, গরিব মানুষ, কৃষক, শ্রমিকের সর্বনাশ করেছে। ছাত্র আন্দোলনে যা হয়েছে, তা হতে পারে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের নেতৃত্বে আমরা যাঁরা আছি, একটা পরিবারের মতো দল চালাচ্ছি। ধন্যবাদ।” কুণাল যখন ওই মন্তব্য করেন, সেখানে উপস্থিত ছিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, অরূপ রায়রা।
আরও পড়ুন: হরমুজ় আমেরিকার এলাকা? বড় দাবি ট্রাম্পের, জানালেন, শীঘ্রই ঘোষণা হবে
হঠাৎ কেন ‘ঋতব্রত তৃণমূলে’র স্বাধীনতা দিবসে হাজির হলেন, তা জানতে চাইলে কুণাল বলেন, “আমি ওখানকার বিধায়ক। আমার দলের নাম করে পতাকা তুলছে! আমি নেমে পড়েছি দেখে। সহকর্মীরা যাঁরা ছিলেন, ঢুকলাম আমি। ওঁরা বিস্মিত হয়েছিলেন। আমি বুঝতে পেরেছিলাম। ওখানে যাব বলে যাইনি। ফিরছিলাম, দাঁড়িয়ে গিয়েছি। ওটা আমার যাতায়াতের রাস্তা। আমাদের দলের নাম করে করছে। দেখলাম কয়েক জন দাঁড়িয়ে। সব পরিচিত মুখ। আমি বলেছি, মমতাদির নেতৃত্বে তৃণমূল চলছে। সেটা ওঁরা বলছেন না বলেই বিরোধ।”
