Voice of Eastern India

TMC News: লুঠ চলেছে, উন্নয়ন কিছু হয়নি বলে তৃণমূল কংগ্রেসকে গোহারা হারতে হয়েছে: ভি শিবদাসন দাশু


কৌশিক গাঁতাইত, পশ্চিম বর্ধমান: লুঠ চলেছে, উন্নয়ন কিছু হয়নি বলে তৃণমূল কংগ্রেসকে গোহারা হারতে হয়েছে। দল নিজের দোষেই হেরেছে এবারের বিধানসভা নির্বাচনে, এমনটাই মনে করছেন খোদ তৃণমূল নেতা। বিধানসভা ভোটে পশ্চিম বর্ধমানে ভরাডুবির জন্য, আসানসোল পুরসভার প্রাক্তন মেয়র ও ডেপুটি মেয়রকে এভাবেই দায়ী করলেন তৃণমূলের প্রাক্তন রাজ্য সম্পাদক ভি শিবদাসন দাশু। দেখা করলেন পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের সঙ্গেও। যদিও পাক্তন মেয়র ও ডেপুটি মেয়রের প্রতিক্রিয়া মেলেনি। 

তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন রাজ্য সম্পাদর ভি শিবদাসন দাশু বলেন, ‘ডেপুটি মেয়র থেকে শুরু করে মেয়র পর্যন্ত, এরা লুঠ করে কর্পোরেশনকে বরবাদ করে দিয়েছে। আসানসোলে উন্নয়নের নামে লুঠেছে, উন্নয়ন কিছু হয়নি বলে আজ তৃণমূল কংগ্রেসকে গোহারা হারতে হয়েছে।’

আসানসোলে তৃণমূলের নিশানায় তৃণমূল। বিধানসভা ভোটে ভরাডুবির জন্য, এক সময় তৃণমূল পরিচালিত আসানসোল পুরসভার প্রাক্তন মেয়র ও ডেপুটি মেয়রকে দায়ী করলেন তৃণমূলের প্রাক্তন রাজ্য সম্পাদক ভি শিবদাসন দাশু। এবছরের বিধানসভা নির্বাচনে, পশ্চিম বর্ধমানের ৯টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে সবগুলিতেই শোচনীয় হার হয়েছে তৃণমূলের। ৯টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে ৫টি বিধানসভা কেন্দ্র পড়ে আসানসোল পুর এলাকার অধীনে। হারতে হয়েছে মন্ত্রী মলয় ঘটক, তাঁর ভাই ও আসানসোল পুরসভার প্রাক্তন ডেপুটি মেয়র অভিজিৎ ঘটক-সহ তাবড় তাবড় নেতাদের।

আর এই খারাপ ফলের জন্য পুরসভার দুর্নীতিকেই দায়ী করলেন তৃণমূলের প্রাক্তন রাজ্য সম্পাদক ভি শিবদাসন দাশু। এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে তিনি পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালেরও দ্বারস্থ হতে চলেছেন। ভি শিবদাসন দাশু বলেন, ‘আমি যে পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালকে সম্মান জানিয়ে, যার সঙ্গে আমি একটু দেখা করতে চাই, এই পুরসভার যে দুর্নীতি, এই দুর্নীতির তদন্ত হোক। যে এরা (প্রাক্তন মেয়র ও ডেপুটি মেয়র) যত প্ল্যানিং পাস করেছে, যত রাস্তাঘাট হয়েছে, যে যে কাউন্সিলর ছিল, তার বিরুদ্ধে তদন্ত হোক।’

অগ্নিমিত্রা পাল বলছেন, ‘ভি শিবদাসন দাশু, উনি আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন, এবং আমি ওঁর সঙ্গে বসব, কর্পোরেশনে কী কী দুর্নীতি হয়েছে, উনি আমাকে জানাবেন।’ রাজ্য পালাবদলের পর, আসানসোল পুরসভার বোর্ড ভেঙে দেওয়া হয়েছে। বসানো হয়েছে প্রশাসক। যদিও দুর্নীতির অভিযোগে প্রতিক্রিয়া নিতে যোগাযোগ করা হলেও, ফোন ধরেননি প্রাক্তন মেয়র বিধান উপাধ্যায় এবং প্রাক্তন ডেপুটি মেয়র অভিজিৎ ঘটক।



Source link

Leave A Reply

Your email address will not be published.