NEET Question Leak: প্রশ্ন ফাঁসে মিছিল, পাল্টা মিছিল; গ্রেফতারের চেষ্টা ঐশী ঘোষকে, মার্ক্স ও লেনিনের পোস্টার পোড়ালো বিজেপি
কলকাতা: ডাক্তারির সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে দেশজুড়ে ছাত্র-যুবদের আন্দোলন। আর সেই আন্দোলনের সমর্থনে কলকাতায় মিছিল করল বামপন্থী সংগঠনগুলো। সেই একই দিনে পাল্টা বারুইপুরে হুঙ্কার পদযাত্রা করল বিজেপি।
আরও পড়ুন: টেবিলে জে পি নাড্ডা, অমিত শাহ, পাশে সৌগত রায়; আরও খালি হবে ‘কালীঘাট তৃণমূল’?
বুধবার সিপিএম নেত্রী ঐশী ঘোষকে গ্রেফতারের চেষ্টার অভিযোগে, যাদুঘর থেকে আলোছায়া মঞ্চ পর্যন্ত মিছিল করে একাধিক বামপন্থী সংগঠন। অন্যদিকে, যাদবপুর সাংগঠনিক জেলার উদ্যোগে বারুইপুর পার্টি অফিস থেকে পুলিশ সুপারের অফিস পর্যন্ত মিছিল করে বিজেপি। সেই মিছিলে ছাত্র-বিক্ষোভের আড়ালে, বামপন্থীদের বিরুদ্ধে দেশবিরোধী কাজের অভিযোগ তুলে, কার্ল মার্ক্স ও লেনিনের পোস্টার পুড়িয়ে বিক্ষোভ দেখানো হয়।
মঙ্গলবার দিল্লিতে সিপিএমের সদর দফতরে জোর করে ঢুকে, এসএফআই-এর যুগ্ম সম্পাদক ঐশী ঘোষকে গ্রেফতারের চেষ্টা করে পুলিশ। সিপিএমের এই অভিযোগের প্রসঙ্গ বুধবার ওঠে রাজ্য়সভায়। রাজ্য়সভার সিপিএম সাংসদ জন ব্রিটাস এদিন সংসদে বলেন, “দিল্লির পুলিশ বাহিনী ছাত্র নেত্রী ঐশী ঘোষকে গ্রেফতার করতে সোজা সিপিএমের জাতীয় কার্যালয়ের ভেতরে ঢুকে পড়ে। একটি জাতীয় রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ে পুলিশ কীভাবে বিনা নোটিশে তল্লাশি চালাতে পারে?”
পুলিশের আচরণের তীব্র নিন্দা করেন রাজ্য়সভার বিরোধী দলনেতা ও কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। তিনি বলেন, “দেশে গণতন্ত্র নিরাপদ নয়, সাধারণ মানুষ নিরাপদ নয় এবং আন্দোলন দমাতে যারা নিষ্ঠুর বলপ্রয়োগ’ করছেন, তারা অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। অমিত শাহ জবাব দিন।”
পাল্টা জবাব দিতে গিয়ে জরুরি অবস্থার প্রসঙ্গ টেনে আনেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য়মন্ত্রী জে পি নাড্ডা। তিনি বলেন, “যারা ছাত্র রাজনীতি বা সক্রিয় আন্দোলনে নামেন, তাঁদের পুলিশের লাঠি-গ্রেফতারের মুখোমুখি হওয়ার মানসিক প্রস্তুতি রাখতেই হবে। জরুরি অবস্থার সময় আমি নিজেও ছাত্র আন্দোলন করতেন। সে সময় আমাকেও দু’বার ক্লাসরুম থেকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল পুলিশ।” সব মিলিয়ে প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে দেশজোড়া ছাত্র আন্দোলন নাড়িয়ে দিয়েছে গোটা দেশের রাজনীতকে।
